চাঁদপুর মতলব উত্তরে
পূর্ব আমুয়াকান্দিতে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভ আগমন উপলক্ষে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করা হয়েছে পূর্ব আমুয়াকান্দি হোসাইনীয়া জামে মসজিদে। এ উপলক্ষে মসজিদ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এক ইসলামি ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(শুক্রবার ০৯-০১-২০২৬ মসজিদ মাঠে) বাদ আসর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পঞ্চম তম এই মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন আমুয়াকান্দি গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ আলফু খান।
মাহফিলের প্রধান বক্তা ওয়াজ করেছেন ছেংগাচর বাজার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা তাইজুল ইসলাম জিহাদী চাঁদপুরী, তাঁর বয়ানে বলেন,বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানবজাতির জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন। তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ করলেই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি নবী করিম (সা.)-এর শৈশব, নবুয়তপ্রাপ্তি এবং মানবকল্যাণমূলক কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বিশেষ বক্তা হিসাবে বয়ান করেন চান্দ্রা দরবার শরীফের খাদেম মাওলানা রিয়াজুল ইসলাম সাইফ, তাঁর বক্তব্যে বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী আমাদের জন্য নবীপ্রেম জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ওভালোবাসা মানেই তাঁর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা। তিনি সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অপর বিশেষ বক্তা বয়ান করেন,আমাকান্দি হোসাইনীয়া জামে মসজিদের ইমাম আবুল খায়ের বলেন, বর্তমান ফিতনার যুগে তরুণ সমাজকে কুরআন ও সুন্নাহর পথে পরিচালিত করাই ঈদে মিলাদুন্নবীর মূল শিক্ষা। তিনি নামাজ, ইমান ও আখলাক ঠিক রাখার আহ্বান জানান। আরো সংক্ষিপ্ত ওয়াজ করেন, মাওলানা কারী আব্দুল বাতেন, হযরত মাওলানা আমিনুল ইসলাম ফুলপুরী, মুফতি আবু বক্কর সিদ্দিক, হযরত মাওলানা ইব্রাহিম, হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান।
সঞ্চালনা করেন হযরত হাফেজ মাওলানা মোঃ মোদাচ্ছেদ খান।
ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনির হোসেন প্রধানসহ এলাকার ওলামায়ে কেরাম, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ওয়াজ মাহফিলে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি নজরুল সরকার, সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকার, মভিজ প্রদান, জাকির খান, কামাল সরকার, আল আমিন খান,
মাহফিলের শেষাংশে দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ফিলিস্তিনসহ নির্যাতিত মুসলমানদের মুক্তি এবং সবার জন্য দোআ ও হেদায়েত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।




















