দেশটিভির ভুয়া পরিচয়ে পুরষ্কার পাওয়া সাংবাদিক দুর্জয়
সেই কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেছিলেন সুরভী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির সংগঠক তাহরিমা জান্নাত সুরভীকে ঘিরে করা কথিত চাঁদাবাজির মামলাটি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মামলার পরপরই একই থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, গত ১৮ নভেম্বর গাজীপুরের চান্দরা এলাকায় একটি সাক্ষাৎকারের কথা বলে এক সাংবাদিক তাহরিমা জান্নাত সুরভীকে ডেকে নেন। পরে তাঁকে কালিয়াকৈর থানার সফিপুর বাজারসংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। মঈনুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, সুরভী চিৎকার করে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন।
তিনি জানান, ঘটনার পর ২৬ নভেম্বর সুরভীর মা বাদী হয়ে ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কালিয়াকৈর থানায় মামলা করেন। একই দিনে বা তার আশপাশের সময়ে সুরভীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরেকটি মামলাও হয়। মঈনুল ইসলামের অভিযোগ, ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামি আগাম জামিন পেলেও সুরভীকে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
পোস্টে আরও অভিযোগ করা হয়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুরভীর কাছে ঘুষ দাবি করেছেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিন নিয়ে সুরভী ও তাঁর পরিবারকে হুমকি দিয়েছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা, অভিযুক্ত সাংবাদিক কিংবা আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




















