দুটি উপজেলা, একটি পৌরসভা ও ২০টি ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৩। জাতীয় পার্টি দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী হলেও বিএনপি এবার ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে।
লালমনিরহাটের তিন আসনে ভোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: বিএনপিতে কোন্দল, জামায়াতের সুযোগ
তিস্তা অববাহিকায় অবস্থিত লালমনিরহাট জেলায় আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে। জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন রয়েছে এবং তিস্তা ইস্যু, নদীভাঙন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ভোটারদের মূল প্রাধান্য।
লালমনিরহাট-১:
দুটি উপজেলা, একটি পৌরসভা ও ২০টি ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৩। জাতীয় পার্টি দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী হলেও বিএনপি এবার ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। জামায়াতও শক্ত অবস্থানে, শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু ইউনিয়নভিত্তিক সভা ও গণসংযোগে সক্রিয়। বিএনপির প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধান পাড়া-মহল্লা ঘুরে গণসংযোগ করছেন।
লালমনিরহাট-২:
কালীগঞ্জ-আদিতমারী অঞ্চলে মোট ভোটার চার লাখ ২৬ হাজার ১৭৯। বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকায় জামায়াত প্রার্থী ফিরোজ হায়দার লাভলু অনেক আগে থেকে মাঠ গরম করে রেখেছেন। সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বর্তমানে কারাগারে। জনতার দলের শামীম কামালও বাবার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রচারণা চালাচ্ছেন।
লালমনিরহাট-৩:
সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে। বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু এবং জামায়াত মনোনীত আবু তাহেরের মধ্যে লড়াই হবে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মোকছেদুল ইসলামও গণসংযোগ চালাচ্ছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, উন্নয়নমুখী ও মাদকমুক্ত লালমনিরহাট গড়ে তোলার জন্য এবারের নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়া হবে।




















