ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে আসামের কার্বি আংলং জেলার হাওরাঘাট এলাকার ১ নম্বর বেলোগুরি মুন্ডা গ্রামে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ না করা) এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নি*হত দুজন হলেন গার্ডি বিরোয়া (৪৩) ও মিরা বিরোয়া (৩৩)।

ভারতে ডাইনি সন্দেহে ঘরে স্বামী-স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, আসামে ফের ‘উইচ-হান্টিং’ আতঙ্ক

রোজ খবর ডেস্ক

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে ডাইনি সন্দেহে এক স্বামী-স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। জাদুবিদ্যা ও তন্ত্রমন্ত্র চর্চার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা ওই দম্পতির ওপর চড়াও হয়। প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় এবং পরে তাদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে দম্পতি দুজনই ঘটনাস্থলেই দগ্ধ হয়ে প্রা*ণ হারান।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে আসামের কার্বি আংলং জেলার হাওরাঘাট এলাকার ১ নম্বর বেলোগুরি মুন্ডা গ্রামে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ না করা) এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নি*হত দুজন হলেন গার্ডি বিরোয়া (৪৩) ও মিরা বিরোয়া (৩৩)।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাকারীরা প্রথমে ওই দম্পতির বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে পুরো ঘরে আগুন লাগিয়ে দিলে তারা ভেতরেই আটকা পড়ে যান এবং জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইকে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকাটির মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই কুসংস্কারে বিশ্বাসী। এখনো নানা গুজব ও অন্ধবিশ্বাসের কারণে নিরীহ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

মর্মান্তিক এই ঘটনা আসামে আবারও ‘উইচ-হান্টিং’ বা ডাইনি সন্দেহে নির্যাতন ও হত্যার ভয়াবহ চিত্র সামনে এনেছে। যদিও রাজ্যটিতে এ ধরনের অপরাধ দমনে কঠোর আইন রয়েছে। ২০১৫ সালে প্রণীত ‘আসাম উইচ হান্টিং (প্রহিবিশন, প্রিভেনশন অ্যান্ড প্রোটেকশন) অ্যাক্ট’-এ কাউকে ‘ডাইনি’ আখ্যা দেওয়া কিংবা এ কারণে হত্যার জন্য কঠোর শাস্তি ও জ*রিমানার বিধান রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১০ বছরে আসামে ডাইনি সন্দেহে সংঘটিত ‘উইচ-হান্টিং’-এর ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রা*ণ হারিয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৮:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
৮০ বার পড়া হয়েছে

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে আসামের কার্বি আংলং জেলার হাওরাঘাট এলাকার ১ নম্বর বেলোগুরি মুন্ডা গ্রামে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ না করা) এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নি*হত দুজন হলেন গার্ডি বিরোয়া (৪৩) ও মিরা বিরোয়া (৩৩)।

ভারতে ডাইনি সন্দেহে ঘরে স্বামী-স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, আসামে ফের ‘উইচ-হান্টিং’ আতঙ্ক

আপডেট সময় ০৮:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে ডাইনি সন্দেহে এক স্বামী-স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। জাদুবিদ্যা ও তন্ত্রমন্ত্র চর্চার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা ওই দম্পতির ওপর চড়াও হয়। প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় এবং পরে তাদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে দম্পতি দুজনই ঘটনাস্থলেই দগ্ধ হয়ে প্রা*ণ হারান।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে আসামের কার্বি আংলং জেলার হাওরাঘাট এলাকার ১ নম্বর বেলোগুরি মুন্ডা গ্রামে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ না করা) এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নি*হত দুজন হলেন গার্ডি বিরোয়া (৪৩) ও মিরা বিরোয়া (৩৩)।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাকারীরা প্রথমে ওই দম্পতির বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে পুরো ঘরে আগুন লাগিয়ে দিলে তারা ভেতরেই আটকা পড়ে যান এবং জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইকে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকাটির মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই কুসংস্কারে বিশ্বাসী। এখনো নানা গুজব ও অন্ধবিশ্বাসের কারণে নিরীহ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

মর্মান্তিক এই ঘটনা আসামে আবারও ‘উইচ-হান্টিং’ বা ডাইনি সন্দেহে নির্যাতন ও হত্যার ভয়াবহ চিত্র সামনে এনেছে। যদিও রাজ্যটিতে এ ধরনের অপরাধ দমনে কঠোর আইন রয়েছে। ২০১৫ সালে প্রণীত ‘আসাম উইচ হান্টিং (প্রহিবিশন, প্রিভেনশন অ্যান্ড প্রোটেকশন) অ্যাক্ট’-এ কাউকে ‘ডাইনি’ আখ্যা দেওয়া কিংবা এ কারণে হত্যার জন্য কঠোর শাস্তি ও জ*রিমানার বিধান রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১০ বছরে আসামে ডাইনি সন্দেহে সংঘটিত ‘উইচ-হান্টিং’-এর ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রা*ণ হারিয়েছেন।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481