ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়ের দুই মাসে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন নববধূ, মানসিক আঘাতে স্বামী ও ঘটকের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদ :

ভারতের কর্ণাটকে ঘটে যাওয়া এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় সরস্বতী নামের এক তরুণী স্বামীর ঘর ছেড়ে তার পূর্বপরিচিত প্রেমিক শিবকুমারের সঙ্গে চলে যান। এই ঘটনায় চরম মানসিক আঘাতে ভেঙে পড়েন স্বামী হরিশ। পরে তিনি জীবন শেষ করার পথ বেছে নেন। একই ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে বিয়ের ঘটক ও সরস্বতীর চাচা রুদ্রেশও মারা যান।

ঘটনাটি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে স্বামীর বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় তিনি ফিরে না আসায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি তার প্রেমিক শিবকুমারের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন।

ঘটনার সত্যতা জানার পর ৩০ বছর বয়সী হরিশ একটি নোট রেখে মৃত্যুবরণ করেন। তার এই মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বিয়ের ঘটক রুদ্রেশ (৩৬)। পরে তিনিও একই সিদ্ধান্ত নেন।

পুলিশের তথ্যমতে, বিয়ের আগেই হরিশ সরস্বতী ও শিবকুমারের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন। তবুও পারিবারিক সম্মতিতে তিনি সরস্বতীকে বিয়ে করেন। এই বিয়ের মধ্যস্থতাকারী ছিলেন রুদ্রেশ।

দাভানগেরে জেলার পুলিশ সুপার উমা প্রাশান্ত জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এসসি/এসটি অ্যাট্রোসিটি আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চরম মানসিক চাপ থেকেই এই দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
৪২ বার পড়া হয়েছে

বিয়ের দুই মাসে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন নববধূ, মানসিক আঘাতে স্বামী ও ঘটকের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের কর্ণাটকে ঘটে যাওয়া এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় সরস্বতী নামের এক তরুণী স্বামীর ঘর ছেড়ে তার পূর্বপরিচিত প্রেমিক শিবকুমারের সঙ্গে চলে যান। এই ঘটনায় চরম মানসিক আঘাতে ভেঙে পড়েন স্বামী হরিশ। পরে তিনি জীবন শেষ করার পথ বেছে নেন। একই ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে বিয়ের ঘটক ও সরস্বতীর চাচা রুদ্রেশও মারা যান।

ঘটনাটি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে স্বামীর বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় তিনি ফিরে না আসায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি তার প্রেমিক শিবকুমারের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন।

ঘটনার সত্যতা জানার পর ৩০ বছর বয়সী হরিশ একটি নোট রেখে মৃত্যুবরণ করেন। তার এই মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বিয়ের ঘটক রুদ্রেশ (৩৬)। পরে তিনিও একই সিদ্ধান্ত নেন।

পুলিশের তথ্যমতে, বিয়ের আগেই হরিশ সরস্বতী ও শিবকুমারের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন। তবুও পারিবারিক সম্মতিতে তিনি সরস্বতীকে বিয়ে করেন। এই বিয়ের মধ্যস্থতাকারী ছিলেন রুদ্রেশ।

দাভানগেরে জেলার পুলিশ সুপার উমা প্রাশান্ত জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এসসি/এসটি অ্যাট্রোসিটি আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চরম মানসিক চাপ থেকেই এই দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481