ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের গতিবিধি নজরে ইসরাইল, প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো
ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইসরাইলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামনে ইরান সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রস্তুতির মাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হলে এর আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে ইসরাইলি নীতিনির্ধারকদের মধ্যে। বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কোনো পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এর প্রভাব ব্যাপক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রচারমাধ্যমের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর নিয়মিত সাপ্তাহিক নিরাপত্তা পর্যালোচনায় ইরান ইস্যু বিশেষ গুরুত্ব পায়। সেখানে সম্ভাব্য বিভিন্ন দৃশ্যপট নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এদিকে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন ইসরাইল ও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান জেনারেল শ্লোমি বাইন্ডার মঙ্গলবার ও বুধবার পেন্টাগন, সিআইএ এবং হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।
অন্যদিকে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব আলোচনায় তিনি ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধানের পথেই জোর দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সৌদি আরবের এই সমন্বিত তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।



















