ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ড আইন পাস, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইসরাইল
ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দিয়ে নতুন আইন পাস করেছে ইসরাইল। এই পদক্ষেপকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার গোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক মহল তীব্র সমালোচনা জানিয়েছে।
সোমবার ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে আইনটি পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থি মিত্রদের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এটি বাস্তবায়িত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরাইলি নাগরিক হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ফাঁসি মূল শাস্তি।
আইনটি পাশ করার পর ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সংসদে উদযাপন করেন।
এ ঘটনায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ আইনটিকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছে যে, অধিকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই।
ফিলিস্তিনি দল হামাসও এই আইনকে ‘বিপজ্জনক নজির’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে, যা বন্দি ফিলিস্তিনিদের জীবনকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলে।
গাজা-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফিলিস্তিনি মানবাধিকার কেন্দ্র বলেছে, আইনটি ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেয়, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইন লঙ্ঘন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরও ইসরাইলকে অবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক আইন প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন এই আইন মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং সংঘাতকে আন্তর্জাতিক পরিসরে জটিলতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।



















