ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনায় ইলিশ শিকার, মতলব উত্তরে জব্দ ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল

নিজস্ব সংবাদ :

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনায় মা ইলিশ শিকার, মতলব উত্তরে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
১৫ কেজি মা ইলিশ উদ্ধার, নদীর তীরে পুড়িয়ে বিনষ্ট নিষিদ্ধ জাল—ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা মৎস্য বিভাগের
মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
মা ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন রাখতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পরিচালিত এ অভিযানে ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ১৫ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা জাল মোহনপুর নদীর তীরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। উদ্ধার করা মা ইলিশ একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে। মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন। অভিযানে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) রুহুল আমিনের নেতৃত্বে এসআই মহসিন, এএসআই জাহাঙ্গীর, মৎস্য অফিসের সহকারী আরিফ, অভয়াশ্রমের পাহারাদার ইমাম হোসেন এবং ক্ষেত্র পাহারাদার মো. আব্দুল বারেক ও নারায়ণ চন্দ্র দাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীরা অংশ নেন।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও থামছে না অবৈধ মাছ শিকার
মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু অসাধু জেলে ও চক্র প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নদীতে জাল ফেলছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ধরা মাছ বিক্রির ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এ পরিস্থিতিতে শুধু নদীতে অভিযান চালানোই যথেষ্ট নয়; অবৈধ মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, মাছ পরিবহনের পথ নজরদারিতে রাখা এবং বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরবরাহব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি। কারণ, নদীতে মাছ ধরা বন্ধ হলেও বাজারে অবৈধভাবে ধরা ইলিশ বিক্রির সুযোগ থাকলে নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে।
মেঘনা নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল, ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
৩০ হাজার মিটার জাল ধ্বংস, ১৫ কেজি মাছ এতিমখানায় বিতরণ
অভিযানে জব্দ করা ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল মোহনপুর নদীর তীরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। অন্যদিকে, জব্দ করা ১৫ কেজি মা ইলিশ একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরলে মা ইলিশের পাশাপাশি নদীর অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ না পেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন ও প্রাপ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ কারণে নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও ধ্বংসের পাশাপাশি নদীতে মাছ শিকারের ওপর নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে জেলেদের সচেতন করা এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
অভিযান চললেও নজরদারিতে ঘাটতি কোথায়?
মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশের যৌথ অভিযান ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও যদি নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরা অব্যাহত থাকে, তাহলে অভিযানের পাশাপাশি নজরদারির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করাও জরুরি।
কোন কোন এলাকায় বেশি অবৈধ মাছ শিকার হচ্ছে, সাধারণত কোন সময়ে জেলেরা নদীতে নামছে এবং ধরা মাছ কোথায় সরবরাহ করা হচ্ছে—এসব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করা হলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জেলে, নৌযানচালক, নদীতীরবর্তী বাসিন্দা ও বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে যথাযথ তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে জানিয়েছেন, মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন এবং ইলিশের প্রজনন সুরক্ষায় মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন রক্ষায় শুধু অভিযান পরিচালনা নয়, নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়জুড়ে ধারাবাহিক নজরদারি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং আইন অমান্য করে মাছ ধরার প্রবণতা বন্ধ করা গেলে ইলিশের প্রাকৃতিক বংশবিস্তার সুরক্ষিত রাখা সহজ হবে।
মেঘনা নদী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদসমৃদ্ধ জলপথ। এ নদীতে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন, জেলেদের জীবিকা এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তাই সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগই হতে পারে ইলিশ রক্ষার কার্যকর পথ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
৩ বার পড়া হয়েছে

সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনায় ইলিশ শিকার, মতলব উত্তরে জব্দ ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল

আপডেট সময় ১০:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনায় মা ইলিশ শিকার, মতলব উত্তরে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
১৫ কেজি মা ইলিশ উদ্ধার, নদীর তীরে পুড়িয়ে বিনষ্ট নিষিদ্ধ জাল—ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা মৎস্য বিভাগের
মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
মা ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন রাখতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পরিচালিত এ অভিযানে ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ১৫ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা জাল মোহনপুর নদীর তীরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। উদ্ধার করা মা ইলিশ একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে। মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন। অভিযানে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) রুহুল আমিনের নেতৃত্বে এসআই মহসিন, এএসআই জাহাঙ্গীর, মৎস্য অফিসের সহকারী আরিফ, অভয়াশ্রমের পাহারাদার ইমাম হোসেন এবং ক্ষেত্র পাহারাদার মো. আব্দুল বারেক ও নারায়ণ চন্দ্র দাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীরা অংশ নেন।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও থামছে না অবৈধ মাছ শিকার
মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু অসাধু জেলে ও চক্র প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নদীতে জাল ফেলছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ধরা মাছ বিক্রির ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এ পরিস্থিতিতে শুধু নদীতে অভিযান চালানোই যথেষ্ট নয়; অবৈধ মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, মাছ পরিবহনের পথ নজরদারিতে রাখা এবং বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরবরাহব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি। কারণ, নদীতে মাছ ধরা বন্ধ হলেও বাজারে অবৈধভাবে ধরা ইলিশ বিক্রির সুযোগ থাকলে নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে।
মেঘনা নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল, ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
৩০ হাজার মিটার জাল ধ্বংস, ১৫ কেজি মাছ এতিমখানায় বিতরণ
অভিযানে জব্দ করা ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল মোহনপুর নদীর তীরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। অন্যদিকে, জব্দ করা ১৫ কেজি মা ইলিশ একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরলে মা ইলিশের পাশাপাশি নদীর অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ না পেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন ও প্রাপ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ কারণে নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও ধ্বংসের পাশাপাশি নদীতে মাছ শিকারের ওপর নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে জেলেদের সচেতন করা এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
অভিযান চললেও নজরদারিতে ঘাটতি কোথায়?
মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশের যৌথ অভিযান ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও যদি নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরা অব্যাহত থাকে, তাহলে অভিযানের পাশাপাশি নজরদারির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করাও জরুরি।
কোন কোন এলাকায় বেশি অবৈধ মাছ শিকার হচ্ছে, সাধারণত কোন সময়ে জেলেরা নদীতে নামছে এবং ধরা মাছ কোথায় সরবরাহ করা হচ্ছে—এসব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করা হলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জেলে, নৌযানচালক, নদীতীরবর্তী বাসিন্দা ও বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে যথাযথ তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে জানিয়েছেন, মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন এবং ইলিশের প্রজনন সুরক্ষায় মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন রক্ষায় শুধু অভিযান পরিচালনা নয়, নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়জুড়ে ধারাবাহিক নজরদারি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং আইন অমান্য করে মাছ ধরার প্রবণতা বন্ধ করা গেলে ইলিশের প্রাকৃতিক বংশবিস্তার সুরক্ষিত রাখা সহজ হবে।
মেঘনা নদী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদসমৃদ্ধ জলপথ। এ নদীতে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন, জেলেদের জীবিকা এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তাই সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগই হতে পারে ইলিশ রক্ষার কার্যকর পথ।