সিটি থেকে ইউনিয়ন—চলতি অর্থবছরেই ৫ নির্বাচন
চলতি অর্থবছরেই সিটি করপোরেশনসহ ৫ নির্বাচন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকারের পাঁচ ধরনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক পরিদর্শন কর্মসূচিতে তিনি এ তথ্য জানান।
শ্রীমঙ্গলে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ মোট পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোন কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত সময়সূচি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তীতে জানানো হবে।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে গুরুত্ব বহন করছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা, মেয়াদ এবং নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আলোচনা রয়েছে। নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানে জনসম্পৃক্ততা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
শ্রীমঙ্গলে সফরকালে প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য নির্মাণাধীন ভবনের কাজ, শহরের ময়লার ভাগাড় স্থানান্তর এবং রাধানগর-মহাজিরাবাদ সড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের কাজের মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন।
মৌলভীবাজারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থান—সব ক্ষেত্রেই পর্যটনসমৃদ্ধ এ জেলাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মৌলভীবাজারের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়ার উদ্যোগ চলছে। সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে মৌলভীবাজারকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় আরও শক্তভাবে যুক্ত করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলতি অর্থবছরের মধ্যে পাঁচ ধরনের স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন করা হলে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসতে পারে। একই সঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিবেশ, ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।



















