ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“স্কুলের পড়া স্কুলেই—প্রাইভেট পড়ানোর বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি”

নিজস্ব সংবাদ :

স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করতে হবে, বন্ধ হোক শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
নাটোর প্রতিনিধি
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য বিদ্যালয়ই যেন প্রধান ও পর্যাপ্ত শিক্ষার জায়গা হয়—এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। তাঁর বক্তব্য, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে যথাযথভাবে পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্তভাবে শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট পড়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।
শনিবার (৮ আগস্ট) নাটোরের লালপুর উপজেলার বরমহাটি সমবায় উচ্চ বিদ্যালয় ও বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করাতে হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শ্রেণিকক্ষে যথাযথভাবে পাঠদান না করে তাদের প্রাইভেট পড়ার দিকে ঠেলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। তাঁর মতে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূলত শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দায়িত্ব পালনের জন্যই সরকারি বেতন-ভাতা পান। তাই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাদানের মান ও সময় নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে বিদ্যালয়ে বাড়তি ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের স্বাভাবিক পাঠদানকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতভাবে পড়ানোর প্রবণতা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
প্রশ্ন উঠছে—কেন প্রাইভেট পড়ার ওপর নির্ভরতা?
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—একজন শিক্ষার্থী যদি বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়েই প্রয়োজনীয় পাঠ বুঝে নিতে পারে, তাহলে তাকে কেন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে একই শিক্ষকের কাছে পড়তে হবে?
অভিভাবকদের একটি অংশের অভিযোগ, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান যথেষ্ট না হলে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে কোচিং বা প্রাইভেট শিক্ষার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়। আবার কোনো শিক্ষক যদি বিদ্যালয়ের পাঠদানকে দুর্বল রেখে ব্যক্তিগত পড়াশোনার ওপর বেশি গুরুত্ব দেন—এমন অভিযোগ থাকলে সেটিও শিক্ষা প্রশাসনের নজরে আনা প্রয়োজন।
তবে অভিযোগ ও বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সব শিক্ষক একইভাবে দায়িত্বে অবহেলা করেন—এমন সাধারণীকরণও ঠিক নয়। তাই প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি, পাঠদানের মান, নির্ধারিত ক্লাস সম্পন্ন করা এবং শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বাস্তবে কতটা বুঝছে—এসব বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা জরুরি।
শুধু পড়াশোনা নয়, খেলাধুলাও শিক্ষার অংশ
প্রতিমন্ত্রী শিশুদের মানসিক বিকাশ ও খেলাধুলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে শিশুদের সুস্থ মানসিক বিকাশের সুযোগ দিতে হবে এবং এর জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।
শিক্ষাবিদদের কাছেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুর শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফল বা বইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সৃজনশীলতা ও সামাজিক দক্ষতা—সব মিলিয়েই একটি শিশুর পূর্ণাঙ্গ বিকাশ ঘটে।
কিন্তু বাস্তবে স্কুল, কোচিং, প্রাইভেট পড়া ও পরীক্ষার চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থীর অবসর ও খেলাধুলার সময় কমে যাচ্ছে। এর ফলে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
নির্দেশনার বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ
শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ বা সীমিত করার আলোচনা নতুন নয়। কিন্তু শুধু নির্দেশনা দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা, শিক্ষকদের জবাবদিহি বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা এবং অভিভাবকদের সচেতন করা—সবগুলো বিষয় একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে।
একই সঙ্গে কোনো শিক্ষক নিয়ম ভঙ্গ করছেন কি না, সেটি যাচাইয়ের জন্য স্বচ্ছ ও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রমাণ, নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বক্তব্য বিবেচনায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
অভিভাবকদের ওপর বাড়তি খরচ কমবে কি?
প্রাইভেট পড়ানোর প্রবণতা কমানো গেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এর জন্য প্রথম শর্ত হলো—বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষকে সত্যিকার অর্থে কার্যকর শিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করা।
অভিভাবকরা যদি নিশ্চিত হন যে স্কুলেই সন্তান প্রয়োজনীয় পাঠ বুঝতে পারছে, শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে, তাহলে প্রাইভেট শিক্ষার ওপর নির্ভরতা স্বাভাবিকভাবেই কমতে পারে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য তাই কেবল প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের আহ্বান হিসেবে দেখলে বিষয়টি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান, শিক্ষকের জবাবদিহি, অভিভাবকের আর্থিক চাপ, শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং খেলাধুলার অধিকার।
এখন দেখার বিষয়, বক্তব্য ও নির্দেশনার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাস্তবে কী পরিবর্তন আসে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়কে কতটা কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষার পরিবেশ হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
৪ বার পড়া হয়েছে

“স্কুলের পড়া স্কুলেই—প্রাইভেট পড়ানোর বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি”

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করতে হবে, বন্ধ হোক শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
নাটোর প্রতিনিধি
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য বিদ্যালয়ই যেন প্রধান ও পর্যাপ্ত শিক্ষার জায়গা হয়—এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। তাঁর বক্তব্য, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে যথাযথভাবে পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্তভাবে শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট পড়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।
শনিবার (৮ আগস্ট) নাটোরের লালপুর উপজেলার বরমহাটি সমবায় উচ্চ বিদ্যালয় ও বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করাতে হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শ্রেণিকক্ষে যথাযথভাবে পাঠদান না করে তাদের প্রাইভেট পড়ার দিকে ঠেলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। তাঁর মতে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূলত শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দায়িত্ব পালনের জন্যই সরকারি বেতন-ভাতা পান। তাই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাদানের মান ও সময় নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে বিদ্যালয়ে বাড়তি ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের স্বাভাবিক পাঠদানকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতভাবে পড়ানোর প্রবণতা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
প্রশ্ন উঠছে—কেন প্রাইভেট পড়ার ওপর নির্ভরতা?
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—একজন শিক্ষার্থী যদি বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়েই প্রয়োজনীয় পাঠ বুঝে নিতে পারে, তাহলে তাকে কেন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে একই শিক্ষকের কাছে পড়তে হবে?
অভিভাবকদের একটি অংশের অভিযোগ, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান যথেষ্ট না হলে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে কোচিং বা প্রাইভেট শিক্ষার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়। আবার কোনো শিক্ষক যদি বিদ্যালয়ের পাঠদানকে দুর্বল রেখে ব্যক্তিগত পড়াশোনার ওপর বেশি গুরুত্ব দেন—এমন অভিযোগ থাকলে সেটিও শিক্ষা প্রশাসনের নজরে আনা প্রয়োজন।
তবে অভিযোগ ও বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সব শিক্ষক একইভাবে দায়িত্বে অবহেলা করেন—এমন সাধারণীকরণও ঠিক নয়। তাই প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি, পাঠদানের মান, নির্ধারিত ক্লাস সম্পন্ন করা এবং শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বাস্তবে কতটা বুঝছে—এসব বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা জরুরি।
শুধু পড়াশোনা নয়, খেলাধুলাও শিক্ষার অংশ
প্রতিমন্ত্রী শিশুদের মানসিক বিকাশ ও খেলাধুলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে শিশুদের সুস্থ মানসিক বিকাশের সুযোগ দিতে হবে এবং এর জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।
শিক্ষাবিদদের কাছেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুর শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফল বা বইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সৃজনশীলতা ও সামাজিক দক্ষতা—সব মিলিয়েই একটি শিশুর পূর্ণাঙ্গ বিকাশ ঘটে।
কিন্তু বাস্তবে স্কুল, কোচিং, প্রাইভেট পড়া ও পরীক্ষার চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থীর অবসর ও খেলাধুলার সময় কমে যাচ্ছে। এর ফলে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
নির্দেশনার বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ
শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ বা সীমিত করার আলোচনা নতুন নয়। কিন্তু শুধু নির্দেশনা দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা, শিক্ষকদের জবাবদিহি বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা এবং অভিভাবকদের সচেতন করা—সবগুলো বিষয় একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে।
একই সঙ্গে কোনো শিক্ষক নিয়ম ভঙ্গ করছেন কি না, সেটি যাচাইয়ের জন্য স্বচ্ছ ও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রমাণ, নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বক্তব্য বিবেচনায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
অভিভাবকদের ওপর বাড়তি খরচ কমবে কি?
প্রাইভেট পড়ানোর প্রবণতা কমানো গেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এর জন্য প্রথম শর্ত হলো—বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষকে সত্যিকার অর্থে কার্যকর শিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করা।
অভিভাবকরা যদি নিশ্চিত হন যে স্কুলেই সন্তান প্রয়োজনীয় পাঠ বুঝতে পারছে, শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে, তাহলে প্রাইভেট শিক্ষার ওপর নির্ভরতা স্বাভাবিকভাবেই কমতে পারে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য তাই কেবল প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের আহ্বান হিসেবে দেখলে বিষয়টি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান, শিক্ষকের জবাবদিহি, অভিভাবকের আর্থিক চাপ, শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং খেলাধুলার অধিকার।
এখন দেখার বিষয়, বক্তব্য ও নির্দেশনার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাস্তবে কী পরিবর্তন আসে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়কে কতটা কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষার পরিবেশ হিসেবে গড়ে তোলা যায়।