ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

. ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—গজারিয়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এমপি কামরুজ্জামান রতন

নিজস্ব সংবাদ :

গজারিয়ায় পূজামণ্ডপে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস
রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার
মুন্সীগঞ্জ: শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রত্যয় নিয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পূজার সার্বিক পরিস্থিতি, উৎসব উদযাপনের পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্টদের খোঁজখবর নেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষার আহ্বান
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এমন সম্প্রীতির চর্চার মধ্য দিয়েই একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক যেন বৈষম্য, ভয়ভীতি কিংবা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তার বক্তব্যে দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব
দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়; এটি স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক বন্ধন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রকাশেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। এ কারণে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সবার সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
গজারিয়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি উৎসবের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে। তবে পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা, দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সংখ্যা কিংবা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়ভাবে উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, পূজা উদযাপন কমিটি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের উপস্থিতি
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নকীব আকরাম, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাসুদ ফারুক ও ইসহাক আলী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মুন্না, গজারিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব নাজির সিকদার, ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব নুরুল আমিন সরকার এবং গজারিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তাদের উপস্থিতিতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সংসদ সদস্যের যোগাযোগ ও কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উৎসবের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হয়।
সম্প্রীতির বার্তা বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ
গজারিয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যের এই পরিদর্শন ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা বহন করে। তবে এ ধরনের উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করে উৎসবের পুরো সময়জুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর।
বিশেষ করে পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রশাসনের যোগাযোগ এবং যেকোনো গুজব বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দায়িত্বশীলভাবে মোকাবিলা করা জরুরি। একই সঙ্গে উৎসবের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে পূজা উদযাপন কমিটির কোনো সমস্যা থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, গজারিয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এখন উৎসবের শেষ পর্যন্ত সেই সম্প্রীতির পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখা এবং সবার জন্য নিরাপদ ধর্মীয় পরিবেশ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্ট সবার প্রধান দায়িত্ব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
৬ বার পড়া হয়েছে

. ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—গজারিয়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এমপি কামরুজ্জামান রতন

আপডেট সময় ১১:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

গজারিয়ায় পূজামণ্ডপে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস
রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার
মুন্সীগঞ্জ: শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রত্যয় নিয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পূজার সার্বিক পরিস্থিতি, উৎসব উদযাপনের পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্টদের খোঁজখবর নেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষার আহ্বান
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এমন সম্প্রীতির চর্চার মধ্য দিয়েই একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক যেন বৈষম্য, ভয়ভীতি কিংবা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তার বক্তব্যে দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব
দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়; এটি স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক বন্ধন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রকাশেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। এ কারণে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সবার সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
গজারিয়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি উৎসবের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে। তবে পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা, দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সংখ্যা কিংবা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়ভাবে উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, পূজা উদযাপন কমিটি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের উপস্থিতি
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নকীব আকরাম, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাসুদ ফারুক ও ইসহাক আলী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মুন্না, গজারিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব নাজির সিকদার, ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব নুরুল আমিন সরকার এবং গজারিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তাদের উপস্থিতিতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সংসদ সদস্যের যোগাযোগ ও কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উৎসবের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হয়।
সম্প্রীতির বার্তা বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ
গজারিয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যের এই পরিদর্শন ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা বহন করে। তবে এ ধরনের উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করে উৎসবের পুরো সময়জুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর।
বিশেষ করে পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রশাসনের যোগাযোগ এবং যেকোনো গুজব বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দায়িত্বশীলভাবে মোকাবিলা করা জরুরি। একই সঙ্গে উৎসবের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে পূজা উদযাপন কমিটির কোনো সমস্যা থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, গজারিয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এখন উৎসবের শেষ পর্যন্ত সেই সম্প্রীতির পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখা এবং সবার জন্য নিরাপদ ধর্মীয় পরিবেশ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্ট সবার প্রধান দায়িত্ব।