ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. সারোয়ার হোসেন

শব্দের মারপ্যাচে জুলাই শহীদরা সম*কামি*তা বাস্তবায়নে ব্যবহৃত

রোজ খবর ডেস্ক

শব্দের মারপ্যাচে জুলাই শহীদরা L-G-B-T (এল-জি-বি-টি) বা সম-কামি-তা বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন কর্তৃক ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. সারোয়ার হোসেন। ঐক্যমত্য কমিশন কর্তৃক সুপারিশকৃত সমস্যাগুলো তুলে ধরার জন্য বই আকারে তা লিপিবদ্ধ করে কমিশন কার্যালয়ে জমা দিয়ে এসেছেন। শুধু তাই নয় নারী সংস্কার কমিশনের সমস্যাগুলোও তিনি লিখিত আকারে জমা দিয়েছেন। এ বিষয় ড. সারোয়ার কর্তৃক পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, ৯৬% লোক কৌশলে সমকামীতা ইস্যু ঢুকিয়ে দেওয়াসহ নারী সংস্কার কমিশনের ধর্ম বিরোধী প্রস্তাবকে প্রত্যাখান করেছেন। আর বাকি ৪% লোক এলজি ইস্যু সমর্থন করেছেন। 

তার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলোছ-

“জুলাই শহীদদের ব্যবহার করা হচ্ছে এলজি (মম কামিতা) এজেন্ডা বাস্তবায়নে। গণভোট এমনভাবে সেট করা হয়েছে যেখানে ‘না’ ভোট দিলে জুলাই বিরোধী তকমা দেয়া হবে। হাসিনা জুজুর ভয় দেখানো হবে। আর জুলাইয়ের কথা বলে ‘হ্যা ভোট দিলে এলজিও ঢুকে গেলো!

শব্দের মারপ্যাঁচে বিভিন্ন সংস্কার পলিসি, জুলাই সনদে যেন এলজি এজেন্ডার যুক্ত না করা হয় তার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ঐকমত্য কমিশনে গিয়ে ড আলি রিয়াজ সাহেবকে নারী সংস্কার কমিশনের সমস্যাগুলো লিখিত আকারে দিয়ে এসেছিলাম। আমার বইটিও দেয়া হয়েছিলো। উনি এলজি ইস্যু অন্তর্ভূক্ত করতে জরিপের আয়োজনও করেছিলেন যেখানে ৯৬% মানুষ প্রত্যাখান করেছে। বাকী ৪% তাদের লোক সমর্থন করে। জরিপে এলজি ইস্যু ঢুকানো ছিলো আইনত অপরাধ কেননা এটা দেশে আইন বিরোধী ইস্যু।
ড আলী রিয়াজ এবং ইণ্টেরিম সরকার বাংলাদেশের মূল্যবোধ বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে শব্দের মারপ্যাচে ইসলামপন্থী দল এবং কওমী মাদ্রাসার হুজুরদের, হেফাজতের ব্যানারে কৌশলে ব্যবহার করা হয়েছে।। আল্লাহর কাছে জবাব সবাইকেই দিতে হবে।
আজকের নীরবতা আমাদের বহু দশক কাঁদাবে! ”
বিস্তারিত তার ফেসবুক পোস্টেঃ https://www.facebook.com/share/p/1CnBQWWy1K/
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৩:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
২০১ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. সারোয়ার হোসেন

শব্দের মারপ্যাচে জুলাই শহীদরা সম*কামি*তা বাস্তবায়নে ব্যবহৃত

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

শব্দের মারপ্যাচে জুলাই শহীদরা L-G-B-T (এল-জি-বি-টি) বা সম-কামি-তা বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন কর্তৃক ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. সারোয়ার হোসেন। ঐক্যমত্য কমিশন কর্তৃক সুপারিশকৃত সমস্যাগুলো তুলে ধরার জন্য বই আকারে তা লিপিবদ্ধ করে কমিশন কার্যালয়ে জমা দিয়ে এসেছেন। শুধু তাই নয় নারী সংস্কার কমিশনের সমস্যাগুলোও তিনি লিখিত আকারে জমা দিয়েছেন। এ বিষয় ড. সারোয়ার কর্তৃক পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, ৯৬% লোক কৌশলে সমকামীতা ইস্যু ঢুকিয়ে দেওয়াসহ নারী সংস্কার কমিশনের ধর্ম বিরোধী প্রস্তাবকে প্রত্যাখান করেছেন। আর বাকি ৪% লোক এলজি ইস্যু সমর্থন করেছেন। 

তার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলোছ-

“জুলাই শহীদদের ব্যবহার করা হচ্ছে এলজি (মম কামিতা) এজেন্ডা বাস্তবায়নে। গণভোট এমনভাবে সেট করা হয়েছে যেখানে ‘না’ ভোট দিলে জুলাই বিরোধী তকমা দেয়া হবে। হাসিনা জুজুর ভয় দেখানো হবে। আর জুলাইয়ের কথা বলে ‘হ্যা ভোট দিলে এলজিও ঢুকে গেলো!

শব্দের মারপ্যাঁচে বিভিন্ন সংস্কার পলিসি, জুলাই সনদে যেন এলজি এজেন্ডার যুক্ত না করা হয় তার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ঐকমত্য কমিশনে গিয়ে ড আলি রিয়াজ সাহেবকে নারী সংস্কার কমিশনের সমস্যাগুলো লিখিত আকারে দিয়ে এসেছিলাম। আমার বইটিও দেয়া হয়েছিলো। উনি এলজি ইস্যু অন্তর্ভূক্ত করতে জরিপের আয়োজনও করেছিলেন যেখানে ৯৬% মানুষ প্রত্যাখান করেছে। বাকী ৪% তাদের লোক সমর্থন করে। জরিপে এলজি ইস্যু ঢুকানো ছিলো আইনত অপরাধ কেননা এটা দেশে আইন বিরোধী ইস্যু।
ড আলী রিয়াজ এবং ইণ্টেরিম সরকার বাংলাদেশের মূল্যবোধ বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে শব্দের মারপ্যাচে ইসলামপন্থী দল এবং কওমী মাদ্রাসার হুজুরদের, হেফাজতের ব্যানারে কৌশলে ব্যবহার করা হয়েছে।। আল্লাহর কাছে জবাব সবাইকেই দিতে হবে।
আজকের নীরবতা আমাদের বহু দশক কাঁদাবে! ”
বিস্তারিত তার ফেসবুক পোস্টেঃ https://www.facebook.com/share/p/1CnBQWWy1K/