ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৮০ দিনের টার্গেট নিয়ে মাঠে সরকার—সংসদে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর!

রোজখবর ডেস্ক

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের একটি স্বল্পমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হচ্ছে।

বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-২ আসনের সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পাইলট প্রকল্প হিসেবে ২২ হাজার কৃষককে এর আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তির মোট ৯ হাজার ১০২ জনকে সম্মানী প্রদান করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুলনা জেলায় ২৫ লাখ কার্ড প্রদানের একটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেড় কোটি চারা উৎপাদন করা হয়েছে।

শিক্ষা খাতে কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ৯ হাজার শিক্ষককে ট্যাব প্রদান, ৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ৪১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ক্রীড়া খাতে জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ‘ক্রীড়া ভাতা’ চালুর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ১২৯ জনকে ভাতা দেওয়া হয়েছে।

পরিপূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, পাইলট প্রকল্প হিসেবে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

সংসদে এটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ। বক্তব্যের শুরুতে সরকারি ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৫:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
১৯ বার পড়া হয়েছে

১৮০ দিনের টার্গেট নিয়ে মাঠে সরকার—সংসদে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর!

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের একটি স্বল্পমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হচ্ছে।

বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-২ আসনের সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পাইলট প্রকল্প হিসেবে ২২ হাজার কৃষককে এর আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তির মোট ৯ হাজার ১০২ জনকে সম্মানী প্রদান করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুলনা জেলায় ২৫ লাখ কার্ড প্রদানের একটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেড় কোটি চারা উৎপাদন করা হয়েছে।

শিক্ষা খাতে কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ৯ হাজার শিক্ষককে ট্যাব প্রদান, ৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ৪১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ক্রীড়া খাতে জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ‘ক্রীড়া ভাতা’ চালুর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ১২৯ জনকে ভাতা দেওয়া হয়েছে।

পরিপূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, পাইলট প্রকল্প হিসেবে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

সংসদে এটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ। বক্তব্যের শুরুতে সরকারি ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481