পটুয়াখালীতে জ্বিন ছাড়ানোর কথা বলে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে আটকে রেখে নি*র্যাতনের অভিযোগ
পটুয়াখালীতে জ্বিন ছাড়ানোর কথা বলে এক দশম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রীকে পাঁচ দিন ধরে বাসায় আটকে রেখে নি*র্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক গ্রাম্য ফকিরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে ‘ফকির বাবা’ পরিচয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তান্ত্রিক ও জ্বিন ছাড়ানোর কাজ করে আসছিল। ওই পরিচয় ব্যবহার করে সে ছাত্রীর পরিবারকে ভয় দেখিয়ে এবং নানা প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটিকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ছাত্রীকে প্রায় পাঁচ দিন ধরে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। এ সময় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে শারীরিক ও মানসিক নি*র্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও শুরুতে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ছাত্রীর পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
এ ঘটনায় এলাকায় প্রশ্ন উঠেছে, বর্তমান সময়েও কীভাবে মানুষ তথাকথিত তান্ত্রিক বা ফকিরের কথায় বিশ্বাস করে একজন স্কুলছাত্রীকে দিনের পর দিন তাদের কাছে রেখে দেয়।
ঘটনার পর অভিযুক্ত ফকির বাবাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পটুয়াখালী থানার এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।










