প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ, শ্রম খাতে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের বৈঠক: শ্রমিকের অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশে নতুন প্রত্যয়ের বার্তা
বাংলাদেশের শ্রম খাতকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সরকার এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের ইঙ্গিত মিলেছে। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো। বৈঠকে শ্রমিকের অধিকার, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শুরুতে আইএলও মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের অবদানকে উল্লেখ করে বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে আইএলও ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পাশে থেকে কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রাখবে।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলো শ্রমজীবী মানুষ। তাদের অধিকার, নিরাপত্তা, ন্যায্য মজুরি এবং মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়ন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং শ্রম আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ব্যাপারে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে তৈরি পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন রপ্তানিমুখী খাতে কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, শ্রমিক-মালিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, সরকার ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের শ্রম খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত হবে। এর মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার আরও সুসংহত হবে, কর্মসংস্থানের পরিবেশ উন্নত হবে এবং বৈশ্বিক পরিসরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।










