ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন

রোজখবর ডেস্ক

নতুন বাংলা বছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চাষিদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিতে টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা দেন তিনি। পরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সরকারের অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি হিসেবে চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, এই কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগী কৃষকরা বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খালখনন কর্মসূচি চালু করেছে। ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়ার নতুন উদ্যোগ শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১২:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
৪৪ বার পড়া হয়েছে

পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন

আপডেট সময় ১২:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

নতুন বাংলা বছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চাষিদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিতে টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা দেন তিনি। পরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সরকারের অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি হিসেবে চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, এই কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগী কৃষকরা বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খালখনন কর্মসূচি চালু করেছে। ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়ার নতুন উদ্যোগ শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।