ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পঞ্চগড়-১ আসনে নওশাদ জমির ও সারজিস আলমকে শোকজ

নিজস্ব সংবাদ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্চগড়-১ আসনের হেভিওয়েট দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির নওশাদ জমির ও এনসিপির সারজিস আলমের বিরুদ্ধে পৃথক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।

নওশাদ জমির বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। অপরদিকে সারজিস আলম এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং দশ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভায় সারজিস আলম তার জোট প্রধানকে স্বাগত জানিয়ে তোরণ, ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করেন। অথচ নির্বাচনি আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ৭(চ) অনুযায়ী কোনো প্রার্থী নিজ দলীয় প্রধান ব্যতীত অন্য কোনো নেতার ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে বলে জানানো হয়।

এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে তিনটি তোরণ নির্মাণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফেসবুক আইডি দাখিল না করে প্রচারণা চালানোও আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, পঞ্চগড় পৌর এলাকায় পরিচালিত অভিযানে তার কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে একাধিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়ে। করতোয়া ব্রিজ এলাকায় অবৈধ ফেস্টুন অপসারণে বাধা প্রদান, অনুমোদিত মাপের চেয়ে বড় ফেস্টুন ব্যবহার, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এবং গভীর রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েতের অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইডি নিবন্ধন ছাড়াই প্রচারণা চালানো এবং সরকারি প্রচারণা ব্যানার ছেঁড়ার হুমকির অভিযোগ নোটিশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড আচরণবিধিমালার একাধিক ধারার লঙ্ঘন বলে জানানো হয়।

উভয় প্রার্থীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৭:৫২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
৮৯ বার পড়া হয়েছে

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পঞ্চগড়-১ আসনে নওশাদ জমির ও সারজিস আলমকে শোকজ

আপডেট সময় ০৭:৫২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্চগড়-১ আসনের হেভিওয়েট দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির নওশাদ জমির ও এনসিপির সারজিস আলমের বিরুদ্ধে পৃথক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।

নওশাদ জমির বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। অপরদিকে সারজিস আলম এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং দশ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভায় সারজিস আলম তার জোট প্রধানকে স্বাগত জানিয়ে তোরণ, ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করেন। অথচ নির্বাচনি আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ৭(চ) অনুযায়ী কোনো প্রার্থী নিজ দলীয় প্রধান ব্যতীত অন্য কোনো নেতার ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে বলে জানানো হয়।

এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে তিনটি তোরণ নির্মাণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফেসবুক আইডি দাখিল না করে প্রচারণা চালানোও আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, পঞ্চগড় পৌর এলাকায় পরিচালিত অভিযানে তার কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে একাধিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়ে। করতোয়া ব্রিজ এলাকায় অবৈধ ফেস্টুন অপসারণে বাধা প্রদান, অনুমোদিত মাপের চেয়ে বড় ফেস্টুন ব্যবহার, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এবং গভীর রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েতের অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইডি নিবন্ধন ছাড়াই প্রচারণা চালানো এবং সরকারি প্রচারণা ব্যানার ছেঁড়ার হুমকির অভিযোগ নোটিশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড আচরণবিধিমালার একাধিক ধারার লঙ্ঘন বলে জানানো হয়।

উভয় প্রার্থীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481