ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৭ দিন পর পদ্মা থেকে ব্যবসায়ী কাজলের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

নিজস্ব সংবাদ :

নিখোঁজের ১৭ দিন পর পদ্মা নদী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায়ী গোলকাজুল ওরফে কাজলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার সামনে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত কাজল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা এলাকার মৃত ফিরোজ আলীর ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জানুয়ারি কাজল এক সহকর্মীর সঙ্গে ব্যবসায়িক কাজে বাড়ি থেকে বের হন এবং এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মেলেনি। ওই দিনই পরিবারের পক্ষ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা তা শনাক্ত করেন। নিহতের ছোট ভাইসহ পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা। এর আগে, ৮ জানুয়ারি কাজলের স্ত্রী এক অপহরণ মামলা দায়ের করেন এবং মামলার পর পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০১:০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
১৫৯ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৭ দিন পর পদ্মা থেকে ব্যবসায়ী কাজলের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

আপডেট সময় ০১:০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

নিখোঁজের ১৭ দিন পর পদ্মা নদী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায়ী গোলকাজুল ওরফে কাজলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার সামনে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত কাজল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা এলাকার মৃত ফিরোজ আলীর ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জানুয়ারি কাজল এক সহকর্মীর সঙ্গে ব্যবসায়িক কাজে বাড়ি থেকে বের হন এবং এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মেলেনি। ওই দিনই পরিবারের পক্ষ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা তা শনাক্ত করেন। নিহতের ছোট ভাইসহ পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা। এর আগে, ৮ জানুয়ারি কাজলের স্ত্রী এক অপহরণ মামলা দায়ের করেন এবং মামলার পর পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”