ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসলামিয়া মার্কেট নতুন বাজার থেকে পানআনী চৌরাস্তার বাজার পর্যন্ত বেকুদিয়ে খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

**মতলব উত্তরে মেঘনা–ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের খাল খনন ও অবৈধ দোকান উচ্ছেদ**

নিজস্ব প্রতিবেদক

মতলব উত্তর উপজেলায় তিস্তা ও গুমতি ইছামতী অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে মেঘনা–ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের আওতায় ওয়াবদার উই-টু সেচ খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কৃষকদের পানির সংকট নিরসন ও নিয়মিত সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইসলামিয়া মার্কেট নতুন বাজার থেকে পানআনী চৌরাস্তার বাজার পর্যন্ত বেকুদিয়ে খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

বারগ্রাম সমিতির সেক্রেটারি আবদুল শুকুর মোল্লা বলেন, সেচ প্রকল্পে পর্যাপ্ত পানি না পেলে কৃষকদের ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ঠিকমতো পানি না পেলে রোপণ ও হালচাষ করা সম্ভব হয় না। তাই কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় খাল খনন ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি ছিল। তিনি আরও বলেন, “ইনশাল্লাহ আমরা সফল হবো।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন একলাশপুর পানির পাম্পের ব্যবস্থাপনা সভাপতি আয়েতালি মোল্লাসহ সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় কৃষকরা আশা প্রকাশ করেন, খাল খনন সম্পন্ন হলে সেচের পানির সংকট দূর হবে এবং ফসল উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
১১০ বার পড়া হয়েছে

ইসলামিয়া মার্কেট নতুন বাজার থেকে পানআনী চৌরাস্তার বাজার পর্যন্ত বেকুদিয়ে খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

**মতলব উত্তরে মেঘনা–ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের খাল খনন ও অবৈধ দোকান উচ্ছেদ**

আপডেট সময় ০৯:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

মতলব উত্তর উপজেলায় তিস্তা ও গুমতি ইছামতী অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে মেঘনা–ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের আওতায় ওয়াবদার উই-টু সেচ খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কৃষকদের পানির সংকট নিরসন ও নিয়মিত সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইসলামিয়া মার্কেট নতুন বাজার থেকে পানআনী চৌরাস্তার বাজার পর্যন্ত বেকুদিয়ে খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

বারগ্রাম সমিতির সেক্রেটারি আবদুল শুকুর মোল্লা বলেন, সেচ প্রকল্পে পর্যাপ্ত পানি না পেলে কৃষকদের ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ঠিকমতো পানি না পেলে রোপণ ও হালচাষ করা সম্ভব হয় না। তাই কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় খাল খনন ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি ছিল। তিনি আরও বলেন, “ইনশাল্লাহ আমরা সফল হবো।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন একলাশপুর পানির পাম্পের ব্যবস্থাপনা সভাপতি আয়েতালি মোল্লাসহ সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় কৃষকরা আশা প্রকাশ করেন, খাল খনন সম্পন্ন হলে সেচের পানির সংকট দূর হবে এবং ফসল উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481