ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন, প্রাণ গেল যুবকের

নিজস্ব সংবাদ :

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা-এর বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ এলাকায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবেল মিয়া (২৭) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে রুবেল মিয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে আসার জন্য শ্বশুরবাড়িতে যান। এ সময় সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্য তাকে মারধর করেন, এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিচার দাবি করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঘটনার পরদিন শনিবার (২৫ এপ্রিল) ভূরুঙ্গামারী থানা-এ একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা বলছেন, পারিবারিক বিরোধ কখনোই সহিংসতায় রূপ নেওয়া উচিত নয়। এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সংঘাতের সমাধান শান্তিপূর্ণ উপায়ে করা জরুরি, না হলে এমন ট্র্যাজেডি যে কারও জীবনে নেমে আসতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
১১১ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন, প্রাণ গেল যুবকের

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা-এর বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ এলাকায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবেল মিয়া (২৭) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে রুবেল মিয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে আসার জন্য শ্বশুরবাড়িতে যান। এ সময় সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্য তাকে মারধর করেন, এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিচার দাবি করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঘটনার পরদিন শনিবার (২৫ এপ্রিল) ভূরুঙ্গামারী থানা-এ একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা বলছেন, পারিবারিক বিরোধ কখনোই সহিংসতায় রূপ নেওয়া উচিত নয়। এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সংঘাতের সমাধান শান্তিপূর্ণ উপায়ে করা জরুরি, না হলে এমন ট্র্যাজেডি যে কারও জীবনে নেমে আসতে পারে।