মুদাচ্ছির হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমানকে ঘিরে আরও কিছু পুরোনো অভিযোগের তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মাদ্রাসাটির সাবেক এক উস্তাদের সঙ্গে কথোপকথনের কল রেকর্ডে শিক্ষার্থীদের যৌন নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কল রেকর্ডে কী বলা হয়েছে, কার সঙ্গে কার কথোপকথন হয়েছে এবং রেকর্ডটি ঘটনার সঙ্গে কতটা প্রাসঙ্গিক—এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। সাবেক ওই উস্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালনকালে মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌন অনৈতিকতার অভিযোগের কথা তিনি জানতে বা শুনতে পেয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
মুদাচ্ছিরের শেষ বিকেল: মাদ্রাসার বাথরুমে ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু, আজও অমীমাংসিত প্রশ্ন
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালীতে মাদ্রাসার শিক্ষকদের টয়লেট থেকে আট বছর বয়সী ছাত্র মুদাচ্ছিরের গলায় গামছা পেঁচানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রায় নয় মাস পরও মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য ছিল, মুদাচ্ছির আত্মহত্যা করেছে। তবে শিশুটির বাবা জিয়াউর রহমানের দাবি, তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
মামলার আসামিরা হলেন—মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমান,
হাফেজ মোহাম্মদ উল্যাহ এবং শিক্ষক ইনচার্জ হাফেজ মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মিজানুর রহমান মামলার আসামি হাফেজ মোহাম্মদ উল্যাহকে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দিয়েছেন।
যেভাবে উদ্ধার হয় মুদাচ্ছিরের মরদেহ

২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার মাদ্রাসাতুল ইতকান লি উলুমিল কোরআনের চতুর্থ তলার শিক্ষকদের টয়লেট থেকে মুদাচ্ছিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, মুদাচ্ছির টয়লেটে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় বের না হওয়ায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়।
পরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
ঘটনার শুরু থেকেই শিশুটির পরিবার মৃত্যুটিকে আত্মহত্যা হিসেবে মেনে নেয়নি। পরিবারের দাবি, মুদাচ্ছিরকে হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানো হয়েছে।
পরদিনই হত্যা মামলা
ঘটনার পরদিন ২১ ডিসেম্বর মুদাচ্ছিরের বাবা জিয়াউর রহমান তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহার ও আদালতে দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, ২০ ডিসেম্বর বিকেল সোয়া ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার মধ্যে মুদাচ্ছিরকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেন বাদী।

বাদীর অভিযোগ, মুদাচ্ছিরের সঙ্গে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল অথবা সে কোনো ঘটনা দেখে ফেলেছিল—এমন কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। পরে ঘটনাটিকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে তার মরদেহ শিক্ষকদের টয়লেটের ভেন্টিলেশনের সঙ্গে গামছা দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।
মামলার এসব অভিযোগ তদন্তাধীন।
গলায় দাগ নিয়ে পরিবারের প্রশ্ন

ঘটনার প্রথম দিকের সংবাদ প্রতিবেদনে মুদাচ্ছিরের পরিবারের পক্ষ থেকে তার গলায় আঁচড়ের মতো দাগ থাকার কথা বলা হয়েছিল।
পরিবারের প্রশ্ন, **ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ওই দাগের বিষয়ে কী বলা হয়েছে?**

দাগটি কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল, গলায় কোনো অভ্যন্তরীণ আঘাত ছিল কি না এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চিকিৎসকের চূড়ান্ত মতামত কী—এসব তথ্য জানতে চায় পরিবার।
মুদাচ্ছিরের ময়নাতদন্তের পূর্ণ প্রতিবেদন ও ফরেনসিক মতামতের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
ময়নাতদন্ত করেছিলেন কোন চিকিৎসক?
মুদাচ্ছিরের পরিবারের আরেকটি প্রশ্ন—**ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক কে ছিলেন?**
কোন চিকিৎসক ময়নাতদন্ত করেছেন, প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ কী উল্লেখ করা হয়েছে এবং গলার দাগ সম্পর্কে চিকিৎসকের কোনো নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ রয়েছে কি না—এসব তথ্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছে পরিবার।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর ধরন সম্পর্কে কী মতামত দেওয়া হয়েছিল, সেটিও জানতে চায় তারা।
গামছার গিঁট নিয়েও বাবার প্রশ্ন
সাম্প্রতিক আদালত-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে মুদাচ্ছিরের বাবা জিয়াউর রহমান দাবি করেন, তার ছেলে মশারির দড়িও নিজে বাঁধতে পারত না। তার দাবি, মুদাচ্ছিরের গলায় যে গামছা ছিল, তাতে যে ধরনের গিঁট দেওয়া হয়েছিল, সেটিও একজন শিশুর পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল না।
পরিবারের প্রশ্ন, **গামছার গিঁটটি কীভাবে দেওয়া হয়েছিল এবং এ বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষায় কী পাওয়া গেছে?**
CCTV ফুটেজ নিয়ে পরিবারের অভিযোগ
মুদাচ্ছিরের মৃত্যুর ঘটনায় মাদ্রাসার CCTV ফুটেজও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক জামিন শুনানিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, ঘটনার দিন বিকেলের ভিডিও ফুটেজে মুদাচ্ছিরকে স্বাভাবিক ও প্রাণচঞ্চল দেখা যায়। এরপর শিক্ষকদের টয়লেটে তার গলায় গামছা পেঁচানো মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টিকে তিনি সন্দেহজনক বলে আদালতে তুলে ধরেন।
মুদাচ্ছিরের পরিবারের দাবি, মাদ্রাসার **অনেক CCTV ফুটেজ এখন পাওয়া যাচ্ছে না।**
পরিবারের প্রশ্ন—
**ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ফুটেজ কোথায়?**
**কোন কোন ক্যামেরার রেকর্ড পাওয়া গেছে?**
**কোন ক্যামেরার ফুটেজ নেই?**
**যেসব ফুটেজ নেই, সেগুলো কেন নেই?**
**DVR/NVR-এর মূল রেকর্ড কি তদন্তকারীরা জব্দ করেছেন?**
**ঘটনার পর CCTV সিস্টেমে কেউ প্রবেশ করেছিল কি না?**
পরিবারের দাবি, মুদাচ্ছিরের মৃত্যুর আগের কয়েক ঘণ্টার সম্পূর্ণ CCTV রেকর্ড উদ্ধার করে পরীক্ষা করা হলে তার শেষ সময়ের গতিবিধি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমানকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ
মুদাচ্ছির হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমানকে ঘিরে আরও একটি অভিযোগ সামনে এনেছে সংশ্লিষ্টরা।
পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মাদ্রাসাটির সাবেক এক উস্তাদের সঙ্গে কথোপকথনের একটি কল রেকর্ডে মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে অতীতে শিক্ষার্থীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।
পরিবারের দাবি, ওই কল রেকর্ডে মাদ্রাসার সাবেক উস্তাদ আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌন অনৈতিকতার অভিযোগের বিষয়ে কথা বলেছেন।
এই কল রেকর্ডের **মূল অডিও, রেকর্ডের তারিখ, কার সঙ্গে কার কথোপকথন হয়েছে এবং কথোপকথনে কী অভিযোগ করা হয়েছে**—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছে পরিবার।
পরিবারের আরও দাবি, মুদাচ্ছিরের মৃত্যুর ঘটনায় এজাহারেও যৌন নির্যাতনের চেষ্টার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে আনিছুর রহমানকে ঘিরে আগে কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের পক্ষ থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।
তবে ওই কল রেকর্ডের পূর্ণাঙ্গ কপি, রেকর্ডটির প্রযুক্তিগত সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট সাবেক উস্তাদের বক্তব্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমানের পক্ষ থেকেও এসব পুরোনো অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আট বছরের শিশুর ‘আত্মহত্যা’ নিয়ে পরিবারের প্রশ্ন
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী ঘটনাটি আত্মহত্যা। কিন্তু মুদাচ্ছিরের বাবা সেই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন।
জিয়াউর রহমানের দাবি, **তার আট বছরের ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না।** তিনি বলেন, তার ছেলে মশারির দড়িও নিজে বাঁধতে পারত না এবং গামছায় যে ধরনের গিঁট দেওয়া হয়েছিল, তা শিশুটির পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল না।
পরিবারের প্রশ্ন, মুদাচ্ছির আত্মহত্যার ধারণা ও এর পরিণতি সম্পর্কে কী বুঝত এবং মৃত্যুর আগে তার আচরণে কোনো পরিবর্তন হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তে খতিয়ে দেখা হয়েছে কি না।
মরদেহ আগে নামানো হয়েছিল কেন?
ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পুলিশ পৌঁছানোর আগে মরদেহ নামানো হয়েছিল কি না।
পরিবারের দাবি, ঘটনাস্থলের মূল অবস্থা সংরক্ষণ করা হয়েছিল কি না এবং পুলিশ আসার আগে কেউ মরদেহ বা ঘটনাস্থলের কোনো আলামত সরিয়েছিল কি না—তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
যদি মরদেহ আগে নামানো হয়ে থাকে, তাহলে **কে নামিয়েছিল, কখন নামিয়েছিল এবং কেন নামিয়েছিল**—এসব প্রশ্নের উত্তরও চায় পরিবার।
এক আসামি গ্রেপ্তার, দুই আসামি এখনো বাইরে
মামলা দায়েরের প্রায় দুই মাস পর হাফেজ মোহাম্মদ উল্যাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি কারাগারে ছিলেন।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে মুদাচ্ছিরের বাবা জিয়াউর রহমান অভিযোগ করেন, মামলার অপর দুই আসামি মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমান ও শিক্ষক ইনচার্জ হাফেজ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এখনো গ্রেপ্তার হননি। তারা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আদালতে এক আসামির জামিন
গত ৩ সেপ্টেম্বর মামলার আসামি হাফেজ মোহাম্মদ উল্যাহর জামিন শুনানি হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার মক্কেল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন এবং দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় জামিন দেওয়া উচিত।
অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি আদালতে মাদ্রাসার ভিডিও ফুটেজে মুদাচ্ছিরকে ঘটনার দিন বিকেলেও প্রাণচঞ্চল দেখা যাওয়ার কথা তুলে ধরেন এবং শিক্ষকদের টয়লেটে শিশুটির গলায় গামছা পেঁচানো মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টিকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করেন।
উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত এক হাজার টাকা মুচলেকায় হাফেজ মোহাম্মদ উল্যাহর জামিন মঞ্জুর করেন।
এখন সামনে যেসব প্রশ্ন
মুদাচ্ছিরের পরিবারের পক্ষ থেকে এখন মূলত কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হচ্ছে—
**গলার দাগ সম্পর্কে চিকিৎসকের মতামত কী?**
**গামছার গিঁট সম্পর্কে ফরেনসিক পরীক্ষায় কী পাওয়া গেছে?**
**ঘটনার সময়ের সব CCTV ফুটেজ কোথায়?**
**অনেক ফুটেজ না থাকার কারণ কী?**
**DVR/NVR-এর মূল রেকর্ড কি জব্দ ও পরীক্ষা করা হয়েছে?**
**মুদাচ্ছির শেষবার কার সঙ্গে ছিল?**
**সে কীভাবে শিক্ষকদের টয়লেটে পৌঁছেছিল?**
**পুলিশ পৌঁছানোর আগে মরদেহ নামানো হয়ে থাকলে, কেন নামানো হয়েছিল?**
**মাওলানা ক্বারি আনিছুর রহমানকে ঘিরে আগের যৌন নির্যাতনের অভিযোগের কোনো নথি বা সাক্ষ্য আছে কি?**
**সাবেক উস্তাদের কথিত কল রেকর্ডের সত্যতা কী?**
**মুদাচ্ছিরের মৃত্যুর সঙ্গে ওই অভিযোগের কোনো যোগসূত্র তদন্তে পাওয়া গেছে কি?**
পরিবারের দাবি—সত্য উদঘাটনে সব আলামত পরীক্ষা করা হোক
মুদাচ্ছিরের বাবা জিয়াউর রহমানের দাবি, তার ছেলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ফরেনসিক রিপোর্ট, গামছা, CCTV ফুটেজ, ঘটনাস্থলের আলামত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য একসঙ্গে পরীক্ষা করা হোক।
একদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আত্মহত্যার বক্তব্য, অন্যদিকে পরিবারের হত্যার অভিযোগ—এই দুই অবস্থানের মধ্যেই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো রয়ে গেছে।
প্রায় নয় মাস পরও মুদাচ্ছিরের পরিবারের দাবি একটাই—
**“আমার ছেলের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা হোক।”**
ময়নাতদন্ত, ফরেনসিক পরীক্ষা, CCTV ফুটেজ ও তদন্তের নথিতে সেই ঘটনার উত্তর খুঁজছে পরিবার।



















