ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকরিতে ঢোকার বয়স এখন ৩২—সংসদে চূড়ান্ত আইন

রোজখবর ডেস্ক

সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে। এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম পাস হওয়া বিল।

রোববার সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ কণ্ঠভোটে বিলটি পাসের প্রস্তাব দিলে তা গৃহীত হয়।

বিল অনুযায়ী, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগে প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর হবে। আগে ২০২৪ সালের এক অধ্যাদেশে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ নির্ধারণ করা হলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৩৩, ৩৫, ৪০ ও ৪৫ বছর পর্যন্ত বয়সসীমা থাকায় জটিলতা দেখা দিয়েছিল। ২০২৫ সালে সংশোধনী আনা হয়েছিল, এখন বিষয়টি আইনে পরিণত হলো।

বিলে বলা হয়েছে, বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে শিক্ষিত বেকার যুবকদের সুযোগ বাড়বে, দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এবং বেকারত্ব সমস্যা কমবে। এছাড়া শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)-এ সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩২ বছর বয়সসীমা অনুসরণ করছে। তাই এ অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১০:২৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
৯১ বার পড়া হয়েছে

চাকরিতে ঢোকার বয়স এখন ৩২—সংসদে চূড়ান্ত আইন

আপডেট সময় ১০:২৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে। এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম পাস হওয়া বিল।

রোববার সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ কণ্ঠভোটে বিলটি পাসের প্রস্তাব দিলে তা গৃহীত হয়।

বিল অনুযায়ী, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগে প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর হবে। আগে ২০২৪ সালের এক অধ্যাদেশে বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ নির্ধারণ করা হলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৩৩, ৩৫, ৪০ ও ৪৫ বছর পর্যন্ত বয়সসীমা থাকায় জটিলতা দেখা দিয়েছিল। ২০২৫ সালে সংশোধনী আনা হয়েছিল, এখন বিষয়টি আইনে পরিণত হলো।

বিলে বলা হয়েছে, বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে শিক্ষিত বেকার যুবকদের সুযোগ বাড়বে, দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এবং বেকারত্ব সমস্যা কমবে। এছাড়া শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)-এ সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩২ বছর বয়সসীমা অনুসরণ করছে। তাই এ অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল।