ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কান ধরে রাজনীতি ছাড়লেন বিএনপি কর্মী

রোজ খবর ডেস্ক

ঝিনাইদহ-৪ আসনে দলীয় প্রার্থী না দিয়ে জোটের শরিক গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খাঁনকে মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফরহাদ হোসেন নামে এক বিএনপি কর্মী কান ধরে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিও বার্তায় ফরহাদ হোসেন বলেন, “আমি কান ধরে রাজনীতি ছাড়ছি। গত ১৭ বছর যারা কালীগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি ধরে রেখেছিল, তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। আমি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও হামিদুল ইসলাম হামিদের মধ্যে যে কোনো একজনের সমর্থক হিসেবে কাজ করতাম। তাদের কাউকে মনোনয়ন না দেওয়ায় আমি কান ধরে বিএনপি ত্যাগ করছি।”

বুধবার দুপুরে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিশ্চিত করেন যে, জোটের শরিকদের জন্য ছাড়া ৭টি আসনের মধ্যে ঝিনাইদহ-৪ আসনটি গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনকে দেওয়া হয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কালীগঞ্জ থানা রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভিড় করছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, রাশেদ খাঁন এই নির্বাচনী এলাকার ভোটার নন এবং তিনি ‘বহিরাগত’।

তাজু জোয়ারদার নামে এক বিএনপি কর্মী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “গত ১৭ বছর সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। এখন একজন বহিরাগতকে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মানতে পারছি না।”

কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যাকে কালীগঞ্জের মানুষ কখনো দুর্দিনে পাশে পায়নি, আমরা এমন কাউকে দলের পক্ষ থেকে চাই না। আমরা এখানে দলের নিজস্ব প্রার্থী চাই।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৪:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
১১১ বার পড়া হয়েছে

কান ধরে রাজনীতি ছাড়লেন বিএনপি কর্মী

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহ-৪ আসনে দলীয় প্রার্থী না দিয়ে জোটের শরিক গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খাঁনকে মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফরহাদ হোসেন নামে এক বিএনপি কর্মী কান ধরে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিও বার্তায় ফরহাদ হোসেন বলেন, “আমি কান ধরে রাজনীতি ছাড়ছি। গত ১৭ বছর যারা কালীগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি ধরে রেখেছিল, তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। আমি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও হামিদুল ইসলাম হামিদের মধ্যে যে কোনো একজনের সমর্থক হিসেবে কাজ করতাম। তাদের কাউকে মনোনয়ন না দেওয়ায় আমি কান ধরে বিএনপি ত্যাগ করছি।”

বুধবার দুপুরে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিশ্চিত করেন যে, জোটের শরিকদের জন্য ছাড়া ৭টি আসনের মধ্যে ঝিনাইদহ-৪ আসনটি গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনকে দেওয়া হয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কালীগঞ্জ থানা রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভিড় করছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, রাশেদ খাঁন এই নির্বাচনী এলাকার ভোটার নন এবং তিনি ‘বহিরাগত’।

তাজু জোয়ারদার নামে এক বিএনপি কর্মী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “গত ১৭ বছর সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। এখন একজন বহিরাগতকে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মানতে পারছি না।”

কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যাকে কালীগঞ্জের মানুষ কখনো দুর্দিনে পাশে পায়নি, আমরা এমন কাউকে দলের পক্ষ থেকে চাই না। আমরা এখানে দলের নিজস্ব প্রার্থী চাই।”