ভিডিও সংযুক্ত:— বরিশালে স্বামী সন্তান রেখে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও গৃহবধূ ফিরতে পরিবারে হামলা
বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান:-
স্ত্রীর পরক্রিয়ায় পরিবার নিয়ে অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছেন এক স্বামী। এমন অভিযোগ করেছেন নগরীর রিফুজি কলোনীর বাসিন্দা আজাদ খানের ছেলে ব্যবসায়ী মানিক খান।এ ব্যাপারে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি পরিবার সহ নিজের নিরাপত্তা ও চেয়েছেন।মানিক খান বলেন বাংলাবাজার বড়বাড়ি গল্লির নিজাম হাওলাদার বাচ্চু এর মেয়ে আসমা আক্তারের সাথে ১১ বছর আগে বিবাহ বন্ধনে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক আবদ্ধ হই। এরপর আমাদের সংসার জীবন খুব সুন্দর ভাবে চলতে থাকে কিন্তু বিয়ের পাঁচ বছর পর আমার স্ত্রী আসমা আক্তার পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রীতি আমার স্ত্রীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে সন্দেহ হলে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের মুক্তারামপুর গ্রামের ইলিয়াস মিয়ার ছেলে ওমান প্রবাসী মোঃ সোহেলের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। এ অবস্থায় তার সাথে আমার কথার কাটাকাটি ঝগরাঝাটি লেগেই থাকতো। একপর্যায়ে আসমা ও তার পরিবার আমাকে তালাক দিতে চাপ দেয় আমি তা অশিকার করলে সেও তার পরিবার প্রাণনাশের হুমকি দেয় আমি শংকিত হয়ে পরিবার নিয়ে জীবন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। পরকীয়া প্রেমের বিষাক্ত ছোবলে তছনছ হয়ে যায় আমার সুখের সংসার।মানিক খান আরও জানান আসমা আক্তার ৫ জানুয়ারি ২০২৩ ইংরেজি তারিখ ডাকযোগে আমাকে একটি তালাকের নোটিশ পাঠান এবং ২৬ জানুয়ারি ২০২৩ইং পুনরায় ওমান প্রবাসী মোঃ সোহেলের সাথে কুমাড়ী লিখে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।বিবাহের কয়েক মাস পর সোহেল বিদেশে চলে গেলে আবার পুনরায় আমার সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করে এবং ঘর করতে প্রস্তাব দেয় বিভিন্ন মাধ্যমে এতে কর্ণপাত না করলে আমার বাবাকে ডেকে নিয়ে গেলে আমার বাবা ও পরিবার উহাতে রাজি না হওয়ায় আসমা আক্তার এর পরিবার আমাদের ক্ষতি সাধনের জন্য বিভিন্ন ভাবে পায়তারায় লিপ্ত থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬/০২/২০২৫ তারিখ ১২টার দিকে ১৪ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ আলেকান্দা বাংলাবাজার সড়ক আমতলা পানির ট্যাংক এর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আমার পিতা আজাদ খানকে দেখতে পেয়ে আসমা আক্তারের ভাই লিওন হাওলাদার, রাকিব হাওলাদার, পিতা নিজাম উদ্দিন হাওলাদার বাচ্চু, লাভলী বেগম, শাহনাজ আক্তার সহ অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথালি আঘাত করে একটি হলুদ অটোতে অপহরণ করে। কিছুদূর গিয়ে ডাক চিৎকার করে আজাদ খান লাভ দিয়ে অটো থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু কিছু দূর না যেতেই আজাদ খানকে ধরে আসমা আক্তারের পিতা নিজাম উদ্দিন হাওলাদার ওতার ভাই লিওন হাওলাদার তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বাড়ি নিয়ে গিয়ে মারধর করে ভিডিও ধারণ করে এবং রক্তাক্ত যখন করে আটকিয়ে রাখে।এবং সাথে থাকা ৬০ হাজার ৩ শত টাকা নিয়ে যায়।এবং টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাথা কান মুখ মন্ডল শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করিয়া রক্তাক্ত যখন করে। বিষয়টি আজাদ খানের বড় ছেলে জানতে পেরে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ পুলিশকে কল দিলে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তার ছেলে মানিক খান শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ ভর্তি করেন। আজাদ খান জানান আসমা আক্তার এক সময় আমার পুত্রবধূ ছিল কিন্তু এক ওমান প্রবাসী ছেলের সাথে পরকীয়া করে আমার ছেলেকে ছেড়ে চলে যায় এবং কুমারী লিখে ওই ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এর কয়েক মাস পর ওই ছেলে বিদেশে চলে গেলে আমাকে এবং আমার ছেলেকে আসমা আক্তারের পরিবার বিভিন্নভাবে প্রস্তাব দেয় নতুন করে এ ঘর সংসার করার জন্য আমরা এতে রাজি হইনি এবং আমার ছেলেকেও পূনরায় বিবাহ করাই। কিন্তু বিষয়টি তারা মানতে নারাজ এরপর আমার ও আমার পরিবারের উপর কয়েক দফা হামলা চালায় প্রতিনিয়ত তাদের হামলার শিকার হচ্ছি। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচার কামনা করছি।