নিরাপত্তা-সংবেদনশীল এলাকা থেকে এমন চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে মুখোশধারী দুই ব্যক্তিকে মোটরসাইকেলটি ঠেলে থানার বাইরে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
ভাটারা থানায় পুলিশের মোটরসাইকেল চুরি
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে পুলিশের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। থানার মতো নিরাপত্তা-সংবেদনশীল এলাকা থেকে এমন চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে মুখোশধারী দুই ব্যক্তিকে মোটরসাইকেলটি ঠেলে থানার বাইরে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। থানা সূত্রে জানা গেছে, চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি ইয়ামাহা কোম্পানির ‘এফজেডএস ভার্সন-২’ মডেলের কালো রঙের একটি বাইক, যা ভাটারা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ফিরোজের ব্যক্তিগত ব্যবহৃত মোটরসাইকেল।
মোটরসাইকেলটি থানার উত্তর গেটের ভেতরে পানির ট্যাংকের পাশে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। ভোরের দিকে মুখোশ পরা দুই ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করে তালা ভেঙে মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঘটনার আগে দুই ব্যক্তি কিছু সময় থানার গেটের সামনে ঘোরাফেরা করেন। পরে একজন থানার ভেতরে ঢুকে মোটরসাইকেলের তালা ভাঙেন এবং অন্যজন বাইরে পাহারা দেন। এরপর দুজন মিলে মোটরসাইকেলটি ঠেলে থানার এলাকা থেকে বের করে নিয়ে যান।
এএসআই মো. ফিরোজ জানান, শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলটি থানার ভেতরে রেখে বাইরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকালে থানায় ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, যেখানে মোটরসাইকেলটি রাখা হয়েছিল সেখানে সেটি নেই। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনি নিশ্চিত হন যে, দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছে।
তিনি আরও জানান, মোটরসাইকেলটিতে একটি জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো ছিল। তবে চোরেরা সেটি খুলে ফেলায় বর্তমানে বাইকটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে, ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক চুরির বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি থানার ভেতর থেকে নয়, থানার বাইরের গ্যারেজ এলাকা থেকে চুরি হয়েছে।
চুরির প্রকৃত স্থান নিয়ে পুলিশের ভিন্ন বক্তব্যে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




















