ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগের পর খোলা চিঠি— ভেতরের অজানা তথ্য ফাঁস!

রোজখবর ডেস্ক

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্য পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর গণমাধ্যমে তাদের পক্ষ থেকে একটি খোলা চিঠি পাঠানো হয়েছে, যেখানে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

বিদায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর পাশাপাশি সদস্য নূর খান, ইলিরা দেওয়ান, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাবিলা ইদ্রিস ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের মাধ্যমে পূর্বের অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সালে প্রণীত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনরায় কার্যকর হয়।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়। বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান মো. নূর খান, নাবিলা ইদ্রিস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম এবং মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান।

খোলা চিঠিতে কমিশনের সদস্যরা নতুন সরকারের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানতে চাইছেন— “এখন তাদের কী হবে?”

চিঠিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার সুরক্ষায় দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তারা ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চ্যালেঞ্জ এবং বিচার ব্যবস্থার জটিলতা সম্পর্কে অবগত। কোনো ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে নয়, বরং ভুক্তভোগীদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তারা এই খোলা চিঠি দিয়েছেন।

এই পদত্যাগের ঘটনায় দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
৫৫ বার পড়া হয়েছে

পদত্যাগের পর খোলা চিঠি— ভেতরের অজানা তথ্য ফাঁস!

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্য পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর গণমাধ্যমে তাদের পক্ষ থেকে একটি খোলা চিঠি পাঠানো হয়েছে, যেখানে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

বিদায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর পাশাপাশি সদস্য নূর খান, ইলিরা দেওয়ান, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাবিলা ইদ্রিস ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের মাধ্যমে পূর্বের অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সালে প্রণীত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনরায় কার্যকর হয়।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়। বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান মো. নূর খান, নাবিলা ইদ্রিস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম এবং মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান।

খোলা চিঠিতে কমিশনের সদস্যরা নতুন সরকারের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানতে চাইছেন— “এখন তাদের কী হবে?”

চিঠিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার সুরক্ষায় দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তারা ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চ্যালেঞ্জ এবং বিচার ব্যবস্থার জটিলতা সম্পর্কে অবগত। কোনো ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে নয়, বরং ভুক্তভোগীদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তারা এই খোলা চিঠি দিয়েছেন।

এই পদত্যাগের ঘটনায় দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।