ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান সংঘাত ঘিরে ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা যুদ্ধক্ষেত্রে রওনা

নিজস্ব সংবাদ :

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবারের মতো স্থলবাহিনী মোতায়েনের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক প্রশাসনের সিদ্ধান্তে জাপানের ওকিনাওয়া বন্দর থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনাল ইউনিটের প্রায় ২,৫০০ সদস্য ইতোমধ্যে যাত্রা শুরু করেছেন।

মার্কিন সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই বাহিনী উভচর আক্রমণকারী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি–এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছাবে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ চলমান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। সাধারণত মার্কিন মেরিন সেনারা সমুদ্র ও স্থল—উভয় ক্ষেত্রেই অভিযান পরিচালনা করে থাকে। তবে এবার তাদের বিশেষভাবে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করা বা ইরানের ভূখণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থানে কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই বাহিনী পাঠানো হতে পারে।

এই মোতায়েনের মধ্য দিয়ে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে এই সংঘাতে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। পেন্টাগনের এমন পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ওয়াশিংটন অদূর ভবিষ্যতে সংঘাত শেষ করার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতির দিকেই এগোচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০২:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
১০৩ বার পড়া হয়েছে

ইরান সংঘাত ঘিরে ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা যুদ্ধক্ষেত্রে রওনা

আপডেট সময় ০২:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবারের মতো স্থলবাহিনী মোতায়েনের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক প্রশাসনের সিদ্ধান্তে জাপানের ওকিনাওয়া বন্দর থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনাল ইউনিটের প্রায় ২,৫০০ সদস্য ইতোমধ্যে যাত্রা শুরু করেছেন।

মার্কিন সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই বাহিনী উভচর আক্রমণকারী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি–এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছাবে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ চলমান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। সাধারণত মার্কিন মেরিন সেনারা সমুদ্র ও স্থল—উভয় ক্ষেত্রেই অভিযান পরিচালনা করে থাকে। তবে এবার তাদের বিশেষভাবে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করা বা ইরানের ভূখণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থানে কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই বাহিনী পাঠানো হতে পারে।

এই মোতায়েনের মধ্য দিয়ে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে এই সংঘাতে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। পেন্টাগনের এমন পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ওয়াশিংটন অদূর ভবিষ্যতে সংঘাত শেষ করার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতির দিকেই এগোচ্ছে।