ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৬-২০৩০ মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন শ্রমবাজারে প্রবেশের সমন্বিত পরিকল্পনা

ইউরোপের শ্রমবাজারে ১০ লক্ষ দক্ষ কর্মী পাঠানোর ‘মাস্টারপ্ল্যান’ ঘোষণ

রাজধানী প্রতিনিধি | মমতা আক্তার

ইউরোপীয় শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে এবং আগামী চার বছরে ১০ লক্ষ দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী ‘মাস্টারপ্ল্যান (২০২৬-২০৩০)’ ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (১৮ই ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই পরিকল্পনা পেশ করা হয়। ‘বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতি’ এবং ১৯৯২ সাল থেকে প্রবাসীদের সেবায় নিয়োজিত ‘ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতি’ যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

মাস্টারপ্ল্যানের মূল দিকসমূহ: সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শ্রমচাহিদা বিশ্লেষণ করে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: দক্ষতা উন্নয়ন: ইউরোপীয় মানদণ্ড অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া। নিরাপদ অভিবাসন: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণ। নতুন বাজার অনুসন্ধান: ইতালি ও জার্মানির পাশাপাশি পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান শ্রমবাজারগুলোতে প্রবেশাধিকার বাড়ানো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১০:২০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১১৩ বার পড়া হয়েছে

২০২৬-২০৩০ মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন শ্রমবাজারে প্রবেশের সমন্বিত পরিকল্পনা

ইউরোপের শ্রমবাজারে ১০ লক্ষ দক্ষ কর্মী পাঠানোর ‘মাস্টারপ্ল্যান’ ঘোষণ

আপডেট সময় ১০:২০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইউরোপীয় শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে এবং আগামী চার বছরে ১০ লক্ষ দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী ‘মাস্টারপ্ল্যান (২০২৬-২০৩০)’ ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (১৮ই ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই পরিকল্পনা পেশ করা হয়। ‘বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতি’ এবং ১৯৯২ সাল থেকে প্রবাসীদের সেবায় নিয়োজিত ‘ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতি’ যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

মাস্টারপ্ল্যানের মূল দিকসমূহ: সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শ্রমচাহিদা বিশ্লেষণ করে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: দক্ষতা উন্নয়ন: ইউরোপীয় মানদণ্ড অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া। নিরাপদ অভিবাসন: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণ। নতুন বাজার অনুসন্ধান: ইতালি ও জার্মানির পাশাপাশি পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান শ্রমবাজারগুলোতে প্রবেশাধিকার বাড়ানো।