ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসিফ মাহমুদ বলেন, মাঠপর্যায়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করছেন। এমনকি বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

কিছু নির্বাচন কর্মকর্তা অস্বাভাবিক আচরণ করছেন, ভোটারদের চাপ দিচ্ছেন: আসিফ মাহমুদ

রোজ খবর ডেস্ক

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে অস্বাভাবিক আচরণ করছেন এবং বিভিন্নভাবে ভোটারদের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, মাঠপর্যায়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করছেন। এমনকি বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কিছু ‘সারপ্রাইজ সিদ্ধান্ত’—বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞার মতো সিদ্ধান্ত—নির্বাচনি পরিবেশকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তপ্ত করতে পারে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন ছিল বলে তিনি মনে করেন।

প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সবার ক্ষেত্রেই বদলি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে একটি নির্দিষ্ট দল বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রার্থীকে শোকজ করার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তাকে অপসারণ ও বদলির দাবি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। তবে লিখিত অভিযোগের বিপরীতে অনেক সময় কোনো প্রতিক্রিয়া বা জবাব পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদের মতে, অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনের একটি আলাদা টাস্কফোর্স থাকা প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের ঘাটতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আশ্বাস পাওয়া গেছে। ভোটাররা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবেন, তবে ভেতরে ব্যবহার সীমিত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩১ বার পড়া হয়েছে

আসিফ মাহমুদ বলেন, মাঠপর্যায়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করছেন। এমনকি বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

কিছু নির্বাচন কর্মকর্তা অস্বাভাবিক আচরণ করছেন, ভোটারদের চাপ দিচ্ছেন: আসিফ মাহমুদ

আপডেট সময় ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে অস্বাভাবিক আচরণ করছেন এবং বিভিন্নভাবে ভোটারদের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, মাঠপর্যায়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করছেন। এমনকি বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কিছু ‘সারপ্রাইজ সিদ্ধান্ত’—বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞার মতো সিদ্ধান্ত—নির্বাচনি পরিবেশকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তপ্ত করতে পারে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন ছিল বলে তিনি মনে করেন।

প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সবার ক্ষেত্রেই বদলি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে একটি নির্দিষ্ট দল বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রার্থীকে শোকজ করার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

তিনি জানান, এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তাকে অপসারণ ও বদলির দাবি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। তবে লিখিত অভিযোগের বিপরীতে অনেক সময় কোনো প্রতিক্রিয়া বা জবাব পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদের মতে, অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনের একটি আলাদা টাস্কফোর্স থাকা প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের ঘাটতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আশ্বাস পাওয়া গেছে। ভোটাররা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবেন, তবে ভেতরে ব্যবহার সীমিত থাকবে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481