অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে দ্রুততার সঙ্গে সঙ্গে তথ্যের সত্যতা ও যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করা আরও বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে।
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও আধুনিক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এমআরইউ’র অঙ্গীকার
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা ও আধুনিক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমআরইউ)–এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সাংবাদিকতা, আইনশৃঙ্খলা ও রাজনীতির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে দ্রুততার সঙ্গে সঙ্গে তথ্যের সত্যতা ও যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করা আরও বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, “বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতাই পারে সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায় তুলে ধরতে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে আপসহীন থাকতে হবে।” তিনি এমআরইউ’র সদস্যদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোঃ মাসুদ (বিপিএম)। তিনি বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিক যদি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে, তাহলে সমাজে অপরাধ দমন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা অনেক সহজ হয়।
ডিসি মোঃ মাসুদ এমআরইউ’র কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখে। তিনি মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির এই অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে এমআরইউ নেতৃবৃন্দ আধুনিক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ, ডিজিটাল নিরাপত্তা, সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।




















