ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে আত্মসমালোচনার আহ্বান: বিসিআরসি’র বিজয় দিবস আলোচনা সভা

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র রূপ নিতে পারেনি বললেন বুদ্ধিজীবীরা

বাদল চৌধুরী :

 

 

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আজও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রে রূপ নিতে পারেনি—এ বাস্তবতা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিজয়ের ছয় দশকের পথেও যখন সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা স্তরে বৈষম্য, অবিচার ও অসাম্য জেঁকে বসেছে, তখন বিজয় দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য নিয়ে নতুন করে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধা এবং বুদ্ধিজীবীরা। তারা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে বিজয় দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হবে।
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স কাউন্সিল
(বিসিআরসি)-এর উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষায় বৈষম্যহীন নতুন দেশ গড়া হোক বিজয় দিবসের অঙ্গীকার’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বিজয় দিবস সম্মাননা–২০২৫ অনুষ্ঠানে এসব অভিমত উঠে আসে। গতকাল ২৯ ডিসেম্বর (সোমবার) বিকেল ৪টায় ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ওবায়দুর রহমান শাহীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাসাসের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী রিজিয়া পারভীন, তথ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামুল কবির, কন্ঠশিল্পী পলাশ এবং বিসিআরসি’র পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ |

সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বিশেষ আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ নিউজ এডিটরস গিল্ডের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বাদল চৌধুরী |

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স কাউন্সিলের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলী আশরাফ আখন্দ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিআরসি’র সহ-সভাপতি ও জাসাস কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদ এনাম মুন্না।

বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শুধু অতীত স্মরণ নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দর্শন। বৈষম্যহীন সমাজ, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অসম্পূর্ণই থেকে যাবে। বিজয় দিবস তাই আত্মতৃপ্তির নয়—বরং দায়বদ্ধতার দিন। অনুষ্ঠানে ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে “বিজয় দিবস সম্মাননা ২০২৫ “প্রদান করা হয়। পরে দেশবরেন্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ |

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৬:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
১৭১ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে আত্মসমালোচনার আহ্বান: বিসিআরসি’র বিজয় দিবস আলোচনা সভা

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র রূপ নিতে পারেনি বললেন বুদ্ধিজীবীরা

আপডেট সময় ০৬:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আজও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রে রূপ নিতে পারেনি—এ বাস্তবতা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিজয়ের ছয় দশকের পথেও যখন সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা স্তরে বৈষম্য, অবিচার ও অসাম্য জেঁকে বসেছে, তখন বিজয় দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য নিয়ে নতুন করে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধা এবং বুদ্ধিজীবীরা। তারা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে বিজয় দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হবে।
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স কাউন্সিল
(বিসিআরসি)-এর উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষায় বৈষম্যহীন নতুন দেশ গড়া হোক বিজয় দিবসের অঙ্গীকার’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বিজয় দিবস সম্মাননা–২০২৫ অনুষ্ঠানে এসব অভিমত উঠে আসে। গতকাল ২৯ ডিসেম্বর (সোমবার) বিকেল ৪টায় ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ওবায়দুর রহমান শাহীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাসাসের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী রিজিয়া পারভীন, তথ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামুল কবির, কন্ঠশিল্পী পলাশ এবং বিসিআরসি’র পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ |

সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বিশেষ আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ নিউজ এডিটরস গিল্ডের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বাদল চৌধুরী |

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স কাউন্সিলের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলী আশরাফ আখন্দ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিআরসি’র সহ-সভাপতি ও জাসাস কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদ এনাম মুন্না।

বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শুধু অতীত স্মরণ নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দর্শন। বৈষম্যহীন সমাজ, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অসম্পূর্ণই থেকে যাবে। বিজয় দিবস তাই আত্মতৃপ্তির নয়—বরং দায়বদ্ধতার দিন। অনুষ্ঠানে ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে “বিজয় দিবস সম্মাননা ২০২৫ “প্রদান করা হয়। পরে দেশবরেন্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ |


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481