পিরোজপুরে কথিত সৈরাচার-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বিষয়ে নতুন করে ক্ষোভ ও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন মহলের অভিযোগ—স্বৈরাচারী শাসনের দোসরদের পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
সৈরাচারের দোসরের ঠিকানা পিরোজপুরে হবে না—ছাত্র-জনতার ক্ষোভ
পিরোজপুরে কথিত সৈরাচার-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বিষয়ে নতুন করে ক্ষোভ ও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন মহলের অভিযোগ—স্বৈরাচারী শাসনের দোসরদের পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
সাম্প্রতিক সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে গানম্যান দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না এলেও, বিষয়টি নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
বিক্ষুব্ধদের দাবি, যদি সত্যিই গানম্যান দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া প্রায় দুই হাজার ছাত্র-জনতার রক্তের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তাদের ভাষায়, গণআন্দোলনের মাধ্যমে যে স্বৈরাচার পতনের পথ তৈরি হয়েছে—তার সঙ্গে যুক্ত দোসরদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হলে জনগণের আত্মত্যাগকে অস্বীকার করা হবে।
একাধিক ছাত্রনেতা ও স্থানীয় আন্দোলনকারীরা জানান,
“দোসরদের প্রশ্নে কোনো আপোষ হবে না। পিরোজপুরে স্বৈরাচারের আশ্রয় আর পুনর্বাসন মেনে নেওয়া হবে না।”
তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করে বলেন, যদি প্রশাসনিকভাবে কোনো নিরাপত্তা বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তা অবিলম্বে জনসমক্ষে পরিষ্কার করা জরুরি।
বিশ্লেষকদের মতে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই ধরনের সিদ্ধান্ত বা গুঞ্জন নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাই সরকারের দায়িত্বশীল মহলকে বিষয়টি স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।
স্থানীয় ছাত্র-জনতা সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে—
স্বৈরাচারের দোসরদের প্রশ্নে কোনো সমঝোতা নয়।




















