অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আনোয়ারপুর মৌজার ১৫৭ ও ২২৮ নম্বর খতিয়ানের ১৫৪ দাগের জমি নিয়ে সাইফুল ইসলাম (৪০) ও তার চাচা ফজল করিমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, তার চাচা ফজল করিম, চাচাতো বোন ফাতেমা আক্তার ও কুলছুম আক্তারসহ কয়েকজন মিলে তার মালিকানাধীন বসতভিটার জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছেন।
মতলব উত্তরে আনোয়ারপুরে জমি নিয়ে চাচা-ভাতিজার বিরোধ, থানায় অভিযোগ
চাঁদপুরের মতলব উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের আনোয়ারপুর এলাকায় জমির মালিকানা ও দখলকে কেন্দ্র করে চাচা-ভাতিজার মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভাতিজা সাইফুল ইসলাম। অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে চাচা ফজল করিম জমিটি নিজের নামে ও দখলে থাকার দাবি করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আনোয়ারপুর মৌজার ১৫৭ ও ২২৮ নম্বর খতিয়ানের ১৫৪ দাগের জমি নিয়ে সাইফুল ইসলাম (৪০) ও তার চাচা ফজল করিমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, তার চাচা ফজল করিম, চাচাতো বোন ফাতেমা আক্তার ও কুলছুম আক্তারসহ কয়েকজন মিলে তার মালিকানাধীন বসতভিটার জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছেন।
সাইফুল ইসলাম থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ১৮ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে বিবাদীরা তার বসতবাড়ির জায়গায় প্রবেশ করে প্রায় ৫ বছর বয়সী ২০ থেকে ২৫টি ফলজ ও কাঠজাত গাছ কেটে ও ভেঙে ফেলে এবং চারপাশের বেড়া ভাঙচুর করে প্রায় এক লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এ সময় তার মা জাহানারা বেগম বাধা দিলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দেয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগেও একাধিকবার মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তার পরিবারকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ফজল করিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই জমি আমার নামে, আমার দখলে রয়েছে। তারা উল্টো জোর করে জমি দখলের পায়তারা করছে। আমি আমার সম্পত্তি রক্ষা করছি মাত্র।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।


























