ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত ওসমান হাদিকে হ*/ত্যা চেষ্টার সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে সম্মান না করে, তাহলে বাংলাদেশ ভারতবিরোধী শক্তি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিতে পারে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ে এনসিপি নেতার বক্তব্যে বাংলাদেশ–ভারত কূটনৈতিক ত*নাব, কড়া প্রতিক্রিয়া আসামের মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব সংবাদ :

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক ত*নাব সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত ওসমান হাদিকে হ*/ত্যা চেষ্টার সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে সম্মান না করে, তাহলে বাংলাদেশ ভারতবিরোধী শক্তি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিতে পারে।

তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পৃষ্ঠপোষকেরা অর্থ, অ*স্ত্র ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মানুষ দাঁড় করাচ্ছেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে এবং ভারত বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে ‘প্রতিরোধের আগুন’ সীমান্ত ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

হাসনাত আবদুল্লাহ এসব বক্তব্যে যারা বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় তাদের ‘শকুন’ আখ্যা দিয়ে প্রতিরোধের ঘোষণা দেন এবং অভিযোগ করেন, ভারত বাংলাদেশকে আরেকটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।

হাসনাতের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একীভূত করা বা আলাদা করার ধারণা সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপ*জ্জনক।”

তিনি বলেন, “গত এক বছরে বারবার এমন বক্তব্য শোনা যাচ্ছে যে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করে বাংলাদেশে যুক্ত করা উচিত।”

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও বলেন, “ভারত একটি বড় দেশ, একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। বাংলাদেশ কীভাবে এমন চিন্তা করতে পারে?”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এ ধরনের শত্রুতামূলক আচরণ চলতে থাকলে ভারত চুপ থাকবে না। প্রয়োজনে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরা—এই সাতটি রাজ্য রয়েছে। এর মধ্যে চারটি রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
১৬৬ বার পড়া হয়েছে

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত ওসমান হাদিকে হ*/ত্যা চেষ্টার সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে সম্মান না করে, তাহলে বাংলাদেশ ভারতবিরোধী শক্তি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিতে পারে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ে এনসিপি নেতার বক্তব্যে বাংলাদেশ–ভারত কূটনৈতিক ত*নাব, কড়া প্রতিক্রিয়া আসামের মুখ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৯:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক ত*নাব সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত ওসমান হাদিকে হ*/ত্যা চেষ্টার সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে সম্মান না করে, তাহলে বাংলাদেশ ভারতবিরোধী শক্তি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিতে পারে।

তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পৃষ্ঠপোষকেরা অর্থ, অ*স্ত্র ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মানুষ দাঁড় করাচ্ছেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে এবং ভারত বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে ‘প্রতিরোধের আগুন’ সীমান্ত ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

হাসনাত আবদুল্লাহ এসব বক্তব্যে যারা বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় তাদের ‘শকুন’ আখ্যা দিয়ে প্রতিরোধের ঘোষণা দেন এবং অভিযোগ করেন, ভারত বাংলাদেশকে আরেকটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।

হাসনাতের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একীভূত করা বা আলাদা করার ধারণা সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপ*জ্জনক।”

তিনি বলেন, “গত এক বছরে বারবার এমন বক্তব্য শোনা যাচ্ছে যে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করে বাংলাদেশে যুক্ত করা উচিত।”

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও বলেন, “ভারত একটি বড় দেশ, একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। বাংলাদেশ কীভাবে এমন চিন্তা করতে পারে?”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এ ধরনের শত্রুতামূলক আচরণ চলতে থাকলে ভারত চুপ থাকবে না। প্রয়োজনে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরা—এই সাতটি রাজ্য রয়েছে। এর মধ্যে চারটি রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481