ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিক বন্ধ

নিজস্ব সংবাদ :

সরকারি হাসপাতালের সামনে আর ক্লিনিক নয়
অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানেও অনিয়ম হলে বন্ধ হবে—গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে
রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বর্তমানে অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মেনে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি আগে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, তা যাচাই করা হবে। নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানান তিনি।
সরকারি হাসপাতালের সামনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভিড়
দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি হাসপাতালের আশপাশে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে। রোগী ও স্বজনদের একটি অংশ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করেন।
এ অবস্থায় সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন বন্ধের ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় নতুন নীতিগত অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ঘোষণাটি বাস্তবায়নে অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম কীভাবে যাচাই করা হবে এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
সাপের কামড়ে মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যুর বিষয়েও প্রশ্নের মুখোমুখি হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিভেনম থাকার পরও সাপের দংশনে রোগীর মৃত্যু কেন হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাপ কামড়ানোর পর রোগী বিষধর সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন কি না, তা বোঝার জন্য অনেক সময় রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
তবে হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হলে রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাই সাপের কামড়ের পর কোনো ধরনের সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।
৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত হবে
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও বৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে হাসপাতালটিকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।
হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একাধিক নতুন সুবিধা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ শুনলেন মন্ত্রী
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন মন্ত্রী।
উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। আরও উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন তিথি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা, ডায়ালাইসিস সুবিধা চালু, আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপন এবং পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন বন্ধ এবং অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৬:০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিক বন্ধ

আপডেট সময় ০৬:০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি হাসপাতালের সামনে আর ক্লিনিক নয়
অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানেও অনিয়ম হলে বন্ধ হবে—গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে
রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বর্তমানে অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মেনে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি আগে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, তা যাচাই করা হবে। নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানান তিনি।
সরকারি হাসপাতালের সামনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভিড়
দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি হাসপাতালের আশপাশে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে। রোগী ও স্বজনদের একটি অংশ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করেন।
এ অবস্থায় সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন বন্ধের ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় নতুন নীতিগত অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ঘোষণাটি বাস্তবায়নে অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম কীভাবে যাচাই করা হবে এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
সাপের কামড়ে মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যুর বিষয়েও প্রশ্নের মুখোমুখি হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিভেনম থাকার পরও সাপের দংশনে রোগীর মৃত্যু কেন হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাপ কামড়ানোর পর রোগী বিষধর সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন কি না, তা বোঝার জন্য অনেক সময় রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
তবে হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হলে রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাই সাপের কামড়ের পর কোনো ধরনের সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।
৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত হবে
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও বৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে হাসপাতালটিকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।
হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একাধিক নতুন সুবিধা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ শুনলেন মন্ত্রী
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন মন্ত্রী।
উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। আরও উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন তিথি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা, ডায়ালাইসিস সুবিধা চালু, আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপন এবং পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন বন্ধ এবং অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।