ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের পরও ভয়ংকর সক্ষমতা ধরে রেখেছে ইরান!

রোজখবর ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। CNN-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা চললেও ইরানের প্রায় অর্ধেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ফাঁস হওয়া মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের বিপুলসংখ্যক মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও কার্যত টিকে আছে। এছাড়া দেশটির অস্ত্রভাণ্ডারে হাজার হাজার একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন মজুত রয়েছে, যা প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত।

যদিও কিছু লঞ্চার সরাসরি ধ্বংস হয়নি, তবে বিমান হামলার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে সেগুলোর অনেকগুলো বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি দেওয়া এক ভাষণে দাবি করেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য তার এই দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এছাড়া ইসরাইলও পূর্বে দাবি করেছিল, তারা ইরানের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস বা অকার্যকর করেছে। তবে নতুন এই তথ্য অনুযায়ী, বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ‘অক্ষত’ ও ‘অকার্যকর’ লঞ্চারের সংজ্ঞা নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে পার্থক্য থাকায় এমন ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।

ইসরাইলি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, হামলায় প্রায় ২০০টি লঞ্চার ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ৮০টি কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। অধিকাংশ লঞ্চারই ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় সংরক্ষিত ছিল, যেখানে প্রবেশপথ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরান এখনো বড় আকারে আক্রমণ চালানোর সক্ষমতা ধরে রেখেছে এবং পুরো অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।

তবে ফাঁস হওয়া এই তথ্য অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন। White House-এর এক মুখপাত্র অভিযোগ করেন, এসব তথ্য ফাঁসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ অভিযানের সাফল্যকে খাটো করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১২:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
১২ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধের পরও ভয়ংকর সক্ষমতা ধরে রেখেছে ইরান!

আপডেট সময় ১২:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। CNN-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা চললেও ইরানের প্রায় অর্ধেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ফাঁস হওয়া মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের বিপুলসংখ্যক মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও কার্যত টিকে আছে। এছাড়া দেশটির অস্ত্রভাণ্ডারে হাজার হাজার একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন মজুত রয়েছে, যা প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত।

যদিও কিছু লঞ্চার সরাসরি ধ্বংস হয়নি, তবে বিমান হামলার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে সেগুলোর অনেকগুলো বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি দেওয়া এক ভাষণে দাবি করেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য তার এই দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এছাড়া ইসরাইলও পূর্বে দাবি করেছিল, তারা ইরানের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস বা অকার্যকর করেছে। তবে নতুন এই তথ্য অনুযায়ী, বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ‘অক্ষত’ ও ‘অকার্যকর’ লঞ্চারের সংজ্ঞা নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে পার্থক্য থাকায় এমন ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।

ইসরাইলি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, হামলায় প্রায় ২০০টি লঞ্চার ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ৮০টি কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। অধিকাংশ লঞ্চারই ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় সংরক্ষিত ছিল, যেখানে প্রবেশপথ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরান এখনো বড় আকারে আক্রমণ চালানোর সক্ষমতা ধরে রেখেছে এবং পুরো অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।

তবে ফাঁস হওয়া এই তথ্য অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন। White House-এর এক মুখপাত্র অভিযোগ করেন, এসব তথ্য ফাঁসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ অভিযানের সাফল্যকে খাটো করার চেষ্টা করা হচ্ছে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481