ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজারবাগে হামলাই জাতিকে স্বাধীনতার ঘোষণায় বাধ্য করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকহানাদার বাহিনীর রাজারবাগে হামলাই জাতিকে স্বাধীনতার ঘোষণায় বাধ্য করেছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ওই রাতে রাজারবাগে ব্যাপক গণহত্যা চালানো হয়, যেখানে সর্বাধিক সংখ্যক পুলিশ সদস্য শহীদ হন। এখান থেকেই মূলত গণহত্যার সূচনা, যা পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানি বাহিনী যদি ওই রাতে রাজারবাগে হামলা না করত, তাহলে হয়তো স্বাধীনতার ঘোষণা আরও কিছুদিন পরে আসত। কিন্তু এই নির্মম হামলাই জাতিকে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।”

স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণহত্যার খবর পেয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরবর্তীতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরে তা জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান-এর পক্ষে সংশোধিতভাবে প্রচার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের সদস্যদের আত্মত্যাগই মুক্তিযুদ্ধের সূচনার অন্যতম ভিত্তি। এদিন তিনি সকল শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

সকাল ৭টায় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কয়েক বছর পর এবার স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করা হবে, যা জাতীয় জীবনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১০:৪৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
৯ বার পড়া হয়েছে

রাজারবাগে হামলাই জাতিকে স্বাধীনতার ঘোষণায় বাধ্য করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৪৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকহানাদার বাহিনীর রাজারবাগে হামলাই জাতিকে স্বাধীনতার ঘোষণায় বাধ্য করেছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ওই রাতে রাজারবাগে ব্যাপক গণহত্যা চালানো হয়, যেখানে সর্বাধিক সংখ্যক পুলিশ সদস্য শহীদ হন। এখান থেকেই মূলত গণহত্যার সূচনা, যা পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানি বাহিনী যদি ওই রাতে রাজারবাগে হামলা না করত, তাহলে হয়তো স্বাধীনতার ঘোষণা আরও কিছুদিন পরে আসত। কিন্তু এই নির্মম হামলাই জাতিকে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।”

স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণহত্যার খবর পেয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরবর্তীতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরে তা জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান-এর পক্ষে সংশোধিতভাবে প্রচার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের সদস্যদের আত্মত্যাগই মুক্তিযুদ্ধের সূচনার অন্যতম ভিত্তি। এদিন তিনি সকল শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

সকাল ৭টায় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কয়েক বছর পর এবার স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করা হবে, যা জাতীয় জীবনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481