ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দলীয় সূত্র বলছে, জোটগত সমঝোতার কারণে মিত্র দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়া আটটি আসনেও বিএনপির পদধারী নেতারা বিদ্রোহী হয়ে দাঁড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে শুধু বিএনপি নয়, শরিক দলগুলোর প্রার্থীরাও মাঠে বিভ্রান্তির মুখে পড়েছেন।

ধানের শীষ বনাম হেভিওয়েট বিদ্রোহী: কোন কোন আসনে চাপে বিএনপি

রোজ খবর অনলাইন ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছেন হেভিওয়েট বিদ্রোহী প্রার্থীরা। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কিংবা বহিষ্কৃত হয়ে অন্তত অর্ধশত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ জন স্থানীয় রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে থাকা প্রভাবশালী নেতা, যাদের কারণে একাধিক আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়তে পারেন।

দলীয় সূত্র বলছে, জোটগত সমঝোতার কারণে মিত্র দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়া আটটি আসনেও বিএনপির পদধারী নেতারা বিদ্রোহী হয়ে দাঁড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে শুধু বিএনপি নয়, শরিক দলগুলোর প্রার্থীরাও মাঠে বিভ্রান্তির মুখে পড়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে স্পষ্ট বিভক্তি তৈরি হয়েছে। অনেক এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে কাজ করা নিয়ে অনীহা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব বিদ্রোহী নেতা ওয়ান-ইলেভেন ও আন্দোলনের সময় মাঠে সক্রিয় ছিলেন, তারা এখনো স্থানীয় সমর্থনের বড় অংশ ধরে রেখেছেন।

বিএনপির হাইকমান্ড একদিকে সংযম, অন্যদিকে কঠোরতা এই দুই কৌশলে এগোচ্ছে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি করাতে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে অনেকেই এখনো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে রাজি নন। ইতোমধ্যে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগে অন্তত ৯ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নাটোর-১, মুন্সীগঞ্জ-৩, সাতক্ষীরা-৩, মানিকগঞ্জ-১ ও ৩, নোয়াখালী-৬, টাঙ্গাইল-৫সহ একাধিক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। কোথাও কোথাও এক আসনে দুই বা তিনজন বিদ্রোহী থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মিত্র দলগুলোর জন্যও পরিস্থিতি স্বস্তিকর নয়। বগুড়া-২, পটুয়াখালী-৩, সিলেট-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, নারায়ণগঞ্জ-৪, যশোর-৫, ঢাকা-১২ ও ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা জোট প্রার্থীদের বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

মিত্র দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বলছেন, কেন্দ্রীয়ভাবে আরও কঠোর নির্দেশনা না এলে মাঠপর্যায়ে পূর্ণ সমন্বয় সম্ভব নয়। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, বিএনপির জন্য বিদ্রোহী সংকট ততই গভীর হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৩:২১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
২৭ বার পড়া হয়েছে

দলীয় সূত্র বলছে, জোটগত সমঝোতার কারণে মিত্র দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়া আটটি আসনেও বিএনপির পদধারী নেতারা বিদ্রোহী হয়ে দাঁড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে শুধু বিএনপি নয়, শরিক দলগুলোর প্রার্থীরাও মাঠে বিভ্রান্তির মুখে পড়েছেন।

ধানের শীষ বনাম হেভিওয়েট বিদ্রোহী: কোন কোন আসনে চাপে বিএনপি

আপডেট সময় ০৩:২১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছেন হেভিওয়েট বিদ্রোহী প্রার্থীরা। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কিংবা বহিষ্কৃত হয়ে অন্তত অর্ধশত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ জন স্থানীয় রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে থাকা প্রভাবশালী নেতা, যাদের কারণে একাধিক আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়তে পারেন।

দলীয় সূত্র বলছে, জোটগত সমঝোতার কারণে মিত্র দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়া আটটি আসনেও বিএনপির পদধারী নেতারা বিদ্রোহী হয়ে দাঁড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে শুধু বিএনপি নয়, শরিক দলগুলোর প্রার্থীরাও মাঠে বিভ্রান্তির মুখে পড়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে স্পষ্ট বিভক্তি তৈরি হয়েছে। অনেক এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে কাজ করা নিয়ে অনীহা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব বিদ্রোহী নেতা ওয়ান-ইলেভেন ও আন্দোলনের সময় মাঠে সক্রিয় ছিলেন, তারা এখনো স্থানীয় সমর্থনের বড় অংশ ধরে রেখেছেন।

বিএনপির হাইকমান্ড একদিকে সংযম, অন্যদিকে কঠোরতা এই দুই কৌশলে এগোচ্ছে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি করাতে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে অনেকেই এখনো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে রাজি নন। ইতোমধ্যে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগে অন্তত ৯ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নাটোর-১, মুন্সীগঞ্জ-৩, সাতক্ষীরা-৩, মানিকগঞ্জ-১ ও ৩, নোয়াখালী-৬, টাঙ্গাইল-৫সহ একাধিক আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। কোথাও কোথাও এক আসনে দুই বা তিনজন বিদ্রোহী থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মিত্র দলগুলোর জন্যও পরিস্থিতি স্বস্তিকর নয়। বগুড়া-২, পটুয়াখালী-৩, সিলেট-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, নারায়ণগঞ্জ-৪, যশোর-৫, ঢাকা-১২ ও ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা জোট প্রার্থীদের বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

মিত্র দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বলছেন, কেন্দ্রীয়ভাবে আরও কঠোর নির্দেশনা না এলে মাঠপর্যায়ে পূর্ণ সমন্বয় সম্ভব নয়। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, বিএনপির জন্য বিদ্রোহী সংকট ততই গভীর হচ্ছে।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/rojkhobor/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481