ঘোষণা হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল। এর কিছুদিন পরই ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে দিনে-দুপুরে গুলি করে হত্যা চেষ্টার ঘটনা ঘটে। এর আগে চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগ চলাকালে প্রকাশ্যে গু*লি চালানোর ঘটনাও ঘটে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এনসিপি প্রার্থী ও বৈষম্যবিরোধী নেতাদের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সিএমপির
দুটি আলোচিত ঘটনায় জড়িত প্রধান অস্ত্রধারীদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ফলে সম্ভাব্য চোরাগুপ্তা হা*মলার আশঙ্কা করছেন প্রার্থীসহ সাধারণ মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
নগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, কোনো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নয়, বরং সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একাধিক সূত্র জানায়, পুলিশ কমিশনার বেতার বার্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। নির্দেশনায় বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, ফ্যাসিস্টপন্থী কোনো গোষ্ঠী যেন দলীয় বা রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে না পারে। আগামী ১৬-১৭ ডিসেম্বর ঝটিকা মিছিল, লিফলেট বিতরণসহ যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতা কঠোরভাবে প্রতিহত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ১৬ থানার ওসিদের এনসিপি প্রার্থী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গু*লি চালানোর ঘটনার পর চট্টগ্রামেও নির্বাচনী নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।




















